নড়াইল-১ আসনের বিছালী গ্রামে ইসলামী আন্দোলনের (হাতপাখা প্রতীক) অফিস পোড়ানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা ওবাদুল্লাহ কায়সার বলেছেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে নড়াইল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। ওই আসনে (নড়াইল-১) ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল আজিজসহ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, রোববার রাতে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা বিছালী গ্রামে তাদের হাতপাখা প্রতীকের অফিস পুড়িয়ে দিয়েছে।
এ ব্যাপারে নড়াইল-১ আসনের জামায়াতের এমপি প্রার্থী মাওলানা ওবাদুল্লাহ কায়সার বলেন, বিগত ১৬ বছর ধরে যাদের নির্যাতন, অত্যাচার সহ্য করেছি, বিনা কারণে আমাদের পুলিশ দিয়ে হয়রানি ও ধরিয়ে দেয়া হয়েছে; ৫ আগস্ট পরবর্তীতে সময়েও তাদের ওপর আমরা প্রতিশোধ পরায়ন হয়নি। তাদের বাড়িঘর পাহারা দিয়েছি। অথচ, এমন কি হলো হাতপাখার অফিস পুড়িয়ে আমাদের নির্বাচন করতে হবে। ইসলামী আন্দোলনের সাথে আমাদের ঐক্য হয়েছিল। সহাবস্থান তৈরি হয়েছিল। যে কারণে হোক নির্বাচনী ঐক্য হয়নি। তাই বলে কাদা ছোড়াছুড়ি! এই ধরণের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ও নোংরামি না করে সবাইকে নির্বাচনী মাঠে থাকার অনুরোধ করছি।
ইসলামী আন্দোলনের অফিস পুড়ানোর ওই রাতে (রোববার) ঘটনাস্থলে কারা ছিলেন মোবাইল ফোন ট্রাকিং করলে বা তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতা নিলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। প্রশাসনের কাছে প্রকৃত ঘটনা বের করার জন্য আমরা জোর দাবি করছি। প্রয়োজন হলে প্রতিটি নির্বাচনী অফিসে সিসিটিভির ব্যবস্থা থাকলে এ ধরণের নোংরামি বন্ধ হবে। প্রকৃত ঘটনা বের করতে আরো সহায়ক হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন-ইসলামী ছাত্রশিবিরের নড়াইল জেলা সেক্রেটারি তাজ মোহাম্মদ, অফিস সম্পাদক রোমান শেখ, সাহিত্য সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সদর উপজেলা যুব জামায়াতের নেতা ইমরুল কায়েসসহ অনেকে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নড়াইল-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল আজিজ, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মিলটন মোল্যা, স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক বি এম নাগিব হোসেনসহ আটজন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।