র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০, সিপিএসসি, লালবাগ, ঢাকা এবং র্যাব-০৪, সিপিসি-০২, নবীনগর, সাভার এর একটি যৌথ আভিযানিক দল র্যাব পরিচয়ে সংঘটিত দস্যুতার মামলার তদন্তেপ্রাপ্ত আসামি মো: কামরুল ইসলাম (৩৮)’কে গ্রেফতার করেছে। গত ১৫ অক্টোবর রাতে ভিকটিম ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ী মো: সুজন আহম্মেদ (২৬) ও তার পিতা মো: মনসুর আলী’সহ দোকান বন্ধ করে নগদ ক্যাশ টাকা ৫,০০,০০০/- নিয়ে বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন আমবাড়িয়া কেজি স্কুলের সামনে পৌছা মাত্র সাদা রংয়ের একটি মাইক্রোবাস সামনে এসে ভিকটিম সুজন ও তার বাবাকে থামায়। র্যাবের কটি পরিহিত ২ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি মাইক্রোবাস হতে নেমে তাদের সামনে এসে ভিকটিমের বাবার নামে মামলা আছে বলে মাইক্রোবাসে তাদেরকে জোরপূর্বক উঠিয়ে হাতকড়া লাগায় এবং গামছা দিয়ে চোখ, মুখ, হাত এবং পা বেধে রেখে মারধর করে। তখন ভিকটিমের সাথে থাকা নগদ ৫,০০,০০০/- টাকা এবং ০৫ টি মোবাইলসহ সর্বমোট ৫,২৯,১৫০/- টাকা দস্যুতা দল নিয়ে নেয়। একপর্যায়ে ভিকটিম ও তার বাবাকে চোখ, মুখ, হাত এবং পা বাধা অবস্থায় সিরাজগঞ্জ জেলার সালঙ্গা থানাধীন দবিরগঞ্জ কবরস্থান এলাকায় রাস্তার পাশে ফেলে রেখে চলে যায়। এ ঘটনায় ভিকটিম মো: সুজন আহম্মেদ (২৬) র্যাবের পোষাক পরিহিত অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানায় এজাহার দায়ের করলে তাড়াশ থানার মামলা নং- ০৫, তারিখ- ১৭/১০/২০২৫ খ্রি., ধারা- ৩৯৪/১৭০/১৭১/পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু করা হয়। পরবর্তীতে অত্র মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষে অধিনায়ক র্যাব-১০ বরাবর একটি অধিযাচন পত্র প্রেরন করেন। অধিযাচন পত্রের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর আভিযানিক দল আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষে তথ্য-প্রযুক্তির ও গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে র্যাব-১০, সিপিএসসি, লালবাগ, ঢাকা এবং র্যাব-০৪, সিপিসি-০২, নবীনগর, সাভার এর যৌথ আভিযানিক দল ঢাকা জেলার ধামরাই থানাধীন ছোট চন্দ্রাইল ঢুলিভিটা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখিত দস্যুতা মামলার তদন্তেপ্রাপ্ত আসামি মো: কামরুল ইসলাম (৩৮), পিতা- মো: রিয়াজউদ্দিন, সাং- দড়ি ভাইডাঙ্গা, থানা- পাবনা সদর, জেলা- পাবনা’কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।