প্রায় দুই যুগ ধরে সাফল্যের সঙ্গে হলিউডে কাজ করছেন ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট। সম্প্রতি এ অভিনেত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, শিগগির যুক্তরাষ্ট্র ছাড়বেন তিনি। হলিউডে কাজ তাঁর জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। সে জন্য ইউরোপীয় সিনেমায় নিয়মিত হওয়ার পরিকল্পনা করেছেন স্টুয়ার্ট। মার্কিন একাধিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে আছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার প্রতি বিরক্ত হয়েই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৩৫ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী। অভিনেত্রী ট্রাম্পের প্রস্তাবিত নীতির কড়া সমালোচনা করেন, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে শুটিং হওয়া চলচ্চিত্রের ওপর শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা নিয়ে। সম্প্রতি দ্য টাইমস অব লন্ডনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টুয়ার্ট বলেন, ‘ট্রাম্পের শাসনামলে পরিস্থিতি খুব খারাপ হয়ে গেছে। আমি যুক্তরাষ্ট্রে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি না। থাকার জন্য বিকল্প জায়গা তৈরি করতে হবে আমাকে। তবে এত সহজে হাল ছাড়ব না। আমি ইউরোপে সিনেমা করব, তারপর সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মানুষদেরও দেখাব।’ ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার মন্তব্যের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে-হলিউড তারকাদের একাংশ আদৌ যুক্তরাষ্ট্রে কাজ ও বসবাস চালিয়ে যাবেন কি না।