সহিংসতামুক্ত নির্বাচনের দাবিতে লিফলেট বিতরণ

এফএনএস (একে কুদরত পাশা; দিরাই, সুনামগঞ্জ) : | প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
সহিংসতামুক্ত নির্বাচনের দাবিতে লিফলেট বিতরণ

“সহিংসতামুক্ত নির্বাচনে শক্তিশালী হোক গণতন্ত্র”-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি)। মঙ্গলবার উপজেলার পাথারিয়া বাজারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইয়থ পিস এম্বাসেডর গ্রুপ, ওয়েভের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচির শুরুতে বক্তব্য রাখেন শান্তিগঞ্জ পিএফজির পিস এম্বাসেডর জিয়াউর রহমান জিয়া। এছাড়া বক্তব্য দেন ইয়থ পিস এম্বাসেডর গ্রুপের সীমা আক্তার, লিজা আক্তার, জুঁই ও নাহিদা এবং দিরাই ইয়থ পিস এম্বাসেডর গ্রুপের যুগ্ম সমন্বয়কারী লিপিকা বিশ্বাস। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আক্তার হোসেন, গিয়াস উদ্দিন, রুবেল, সেলিম আহমদ, কামাল হোসেন, তোয়াহিদ মিয়া ও জুয়েল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, সহিংসতামুক্ত, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার মূল ভিত্তি। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ, ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন এবং মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল অবস্থান থেকেই সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের প্রকৃত রূপায়ণ সম্ভব। লিফলেটে উল্লেখ করা হয়, আসন্ন নির্বাচনে সহিংসতা প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এজন্য সবাইকে নিজ নিজ নাগরিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি বলেও লিফলেটে উল্লেখ করা হয়। এতে আরও বলা হয়, নির্বাচনী সহিংসতা প্রতিরোধে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্মান, সহনশীলতা ও মর্যাদা বজায় রাখতে হবে। বিজয়ী দলের নেতা-কর্মীদের পরাজিত দলের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে উৎসাহিত করা, ধর্মীয় বিদ্বেষ ও উসকানিমূলক বক্তব্য থেকে বিরত থাকা এবং ভোটার ও দলীয় কর্মীসহ সবাইকে সংঘর্ষ পরিহারে সচেতন করা প্রয়োজন। এছাড়া নির্বাচনী আচরণবিধি ও নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কে নিজে সচেতন হওয়া এবং অন্যদের সচেতন করা, সহিংসতার আশঙ্কা দেখা দিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা, গুজব প্রতিরোধে সতর্ক থাকা, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বক্তব্য পরিহার, সহিংসতা সৃষ্টিকারী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং পেশিশক্তি ও কালো টাকার প্রভাব সম্পর্কে সচেতন থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে