দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কের আমতলী সিএন্ডবিতে সড়ক দূর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই জুনাইদ হাসান নামে কেজি শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থী নিহত ও রাজিব রিফাত নামে আরেকজন ছাত্র আহত হয়েছে। এঘটনায় বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী ঘটনার পর সকাল সাড়ে ৮ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এতে মহাসড়কে চলাচলরতদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এ সড়ক দূর্ঘটনাটি গতকাল ১৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় উপজেলার পুনট্টি ইউনিয়নের দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কের আমতলী সিএন্ডবি নামক স্থানে ঘটেছে। নিহত জুনাইদ হাসান (৬) উপজেলার ভিয়াইল ইউনিয়নের পলাশবাড়ী গ্রামের জুয়েল হাসানের ছেলে ও আমতলী মোল্লা ইসলামিক প্রি-ক্যাডেট স্কুলের কেজি শ্রেণির ছাত্র। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় দিনাজপুর থেকে ঢাকাগামী আহাদ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি যাত্রীবাহি বাস স্কুলের শিক্ষার্থীবাহী একটি রিকশাভ্যানকে চাপা দিয়ে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যায়। এতে রিকশাভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই আমতলী মোল্লা ইসলামিক প্রি-ক্যাডেট স্কুলের কেজি শ্রেণির ছাত্র জুনাইদ হাসান নিহত ও রাজিব রিফাত নামে আরেক ছাত্র গুরুতর আহত হয়। এসময় স্থানীয়রা গুরুতর আহত রাজিব রিফাতকে উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। এ ঘটনায় বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী ঘটনার পর থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত দূর্ঘটনায় দোষী চালকের বিচারসহ ওই স্থানে স্প্রীড বেকার নির্মাণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে। এতে মহাসড়কের দুইদিকে অনেক গাড়ি আটকা পড়ে এবং সড়কে চলাচলরতদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেহা তুজ জোহরা ও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি-তদন্ত) আহসান হাবিব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত স্কুল ছাত্রের পরিবারের হাতে নগদ ২০ হাজার টাকা মরদেহ দাফনের জন্য দেয়া হয়েছে ও স্কুলের সামনে গতিরোধক দেয়ার আশ্বাস ও গতিরোধকের কাজ শুরু করা হলে অবরোধকারীরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন। এতে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।