একুশ মানেই অহংকার, একুশ মানেই বাঙ্গালীর চেতনা। মহান ্একুশের মাঝেই ভাষার অধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজ নিহিত থাকলেও আজ যেন আমরা দিন দিন সরে যাচ্ছি একুশের চেতনা থেকে। বাঙ্গালীর একুশের চেতনা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে মহান শহীদ দিবস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা লাভ করলেও আমরা বাঙ্গালী জাতি যেন দিন দিন সরে যাচ্ছি একুশের চেতনা থেকে। মহান শহীদ দিবসে পত্নীতলা উপজেলা সদর নজিপুর বাসষ্ট্যান্ডে অবস্থিত প্রায় সহস্রাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিত রাখার ধরণ বিবেচনা করলে হতাশ না হয়ে পারা যায়না। শুধু নজিপুর বাসষ্ট্যান্ডই নয় পত্নীতলা উপজেলা জুড়েই এমন হতাশাজনক চিত্র পাওয়া গেছে। সরেজমিন ২১ ফেব্রুয়ারী দুপুরে পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌর সদর চারমাথা বাসষ্ট্যান্ড ঘুরে দেখা গেছে, এক চতুর্থাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিত রাখা হয়নি। যারা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন তারাও সঠিক ভাবে করেননি। অথচ বিভিন্ন জাতীয় দিবস গুলিতে ইতিপূর্বে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সমারোহ লক্ষ্য করা গেছে। যা বাসষ্ট্যান্ডের সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে দিতো। শুধু নজিপুর বাষ্ট্যান্ডেই নয়, নজিপুর পুরাতন বাজার, সরদার পাড়া মোড়, নতুনহাট মোট, চকনিরখিন মোড়সহ সকল স্থানেই একই দৃশ্য দেখা গেছে। এ বছর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা কম উত্তোলন করায় সহজেই পথচারীদের নজর কেড়েছে। এ বিষয়ে নজিপুর বাসষ্ট্যান্ড বণিক কমিটির সভাপতি ও নজিপুর পৌর সভার সাবেক মেয়র মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ব্যবসায়ীরা আগের বছরের মতো জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করার বিষয়টি আমাকেও অবাক করেছে। সরকারি ভাবে তেমন প্রচার প্রচারণা না থাকায় দিবস সম্পর্কে মানুষ ভুলে যাওয়ায় এমনটি হতে পারে। আগামী জাতীয় দিবসগুলিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনর বিষয়টি গুরত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে। পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলীমুজ্জামান মিলন বলেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সকল কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হয়েছে।