ইন্দুরকানীতে সরকারি রাস্তার পাশের গাছ কেটে নেওয়ার চেষ্টা

এফএনএস (শহিদুল ইসলাম; জিয়ানগর, পিরোজপুর) :
| আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম | প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম
ইন্দুরকানীতে সরকারি রাস্তার পাশের গাছ কেটে নেওয়ার চেষ্টা

ইন্দুরকানী উপজেলায় সরকারি রাস্তার পাশের গাছ কেটে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। বন বিভাগের হস্তক্ষেপে গাছ কাটা বন্ধ করা হয়। সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণ ভবানীপুর গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মাসুম হাওলাদারের বাড়ির সামনে ইন্দুরকানী-কলারণ-সন্ন্যাসী সড়কের পাশে রোপণ করা একটি মেহগনি গাছ কাটার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভবানীপুর গ্রামের হাজি বাড়ির আব্দুস ছত্তারের ছেলে, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মো. নজরুল ইসলাম লোকজন দিয়ে গাছটির ডালপালা কেটে ফেলেন এবং গোড়াতেও কাট দেন।এ সময় উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তারা বালিপাড়া যাওয়ার পথে ঘটনাটি দেখতে পান। তারা গাছ কাটার অনুমতি সম্পর্কে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে বন বিভাগের কর্মকর্তারা গাছ কাটা বন্ধ করে সরঞ্জাম জব্দ করেন এবং তা স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্যের জিম্মায় রাখেন। এলাকাবাসীর দাবি, রাস্তার পাশের গাছ সরকারি সম্পত্তি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। যথাযথ অনুমতি ছাড়া এভাবে গাছ কাটার চেষ্টা বেআইনি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা এফ এম কেরামত আলী বলেন, তিনি ও তার সহকর্মী ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ কাটার সরঞ্জাম জব্দ করে গ্রাম পুলিশের জিম্মায় রেখে আসেন। তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রশাসক হাসান মোহাম্মাদ হাফিজুর রহমান বলেন, গাছ কাটা ব্যক্তি তার সঙ্গে দেখা করেছেন এবং গাছটি নিজের বলে দাবি করেছেন। গাছটি কার জমিতে রয়েছে তা যাচাই করা হবে। যদি এটি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে প্রমাণিত হয়, তাহলে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। আর যদি ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে হয়ে থাকে, তাহলে যিনি গাছ কেটেছেন তাকে গাছটি ফেরত দেওয়া হবে। অভিযুক্ত মো. নজরুল ইসলাম বলেন, যে গাছ কাটা হচ্ছিল সেটি তাদের রোপণ করা। তিনি দাবি করেন, সরকারি কোনো গাছ কাটা হয়নি।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে