ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে শহিদ মিনারে সংসদ সদস্য ব্যরিস্টার রূমিন ফারহানাকে ফুল দিতে বাঁধা ও ধাক্কাধাক্কির দেওয়ার ঘটনায় দেড় শতাধিক লোকের বিরূদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার রূমিন সমর্থক আহত আহাদ মিয়া নামের এক ব্যক্তি বাদী সরাইল থানায় এ মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গ সহযাগি সংগঠনের লোকজনকে আসামী করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, গত ২০ জানুয়ারি শুক্রবার দিবাগত রাতে সরাইল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে যান স্থানীয় সংসদ সদস্য ও ভাষা সৈনিক প্রয়াত অলি আহাদের মেয়ে ব্যরিস্টার রূমিন ফারহানা। সরকারি নিয়মে প্রথম ফুল দিবেন সংসদ সদস্য। সেই অনুসারে রাত ১২টা ১ মিনিটে শহিদ মিনারে ফুল দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন রূমিন ফারহানা। এ সময় স্থানীয় বিএনপি’র কয়েতশত লোক ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিয়ে ধাক্কাধাক্কি ও হট্রগোলের সৃষ্টি করে রূমিনকে ফুল দিতে বাঁধার সৃষ্টি করে। রূমিন সমর্থকদের উপর হামলা করে রূমিনের দিকেও তেড়ে আসে। ফুল না দিয়ে শহিদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন এমপি রূমিন। মারধরের শিকার হন কয়েকজন রূমিন সমর্থক। এরমধ্যে রূমিন সমর্থক আহাদ মিয়াও ছিলেন। তাই আহত ওই আহাদ মিয়া বাদী হয়ে গতকাল রোববার সরাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গসহযোগি সংগঠনের ৫ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরো ১৪০-১৫০ জনকে আসামী করা হয়েছে। সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া মামলা নথিভূক্ত হওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, তদন্ত চলছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরূদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।