কাউখালীতে সরকারি কর্মচারীদের আবাসিক ভবনে সংকট

এফএনএস (মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক; কাউখালী, পিরোজপুর) : | প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম
কাউখালীতে সরকারি কর্মচারীদের আবাসিক ভবনে সংকট

পিরোজপুরের কাউখালীতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় বসবাসে চরম সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি অফিস সময়ের বাইরে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন কাজকর্ম করতে পারছেনা সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা। যার ফলে অনেকাংশেই পিছিয়ে পড়ছে এলাকার কাঙ্খিত সেবা ও উন্নয়ন মূলক কাজ। অত্র উপজেলায় ৩২ টি সরকারি দপ্তরের মধ্যে ২৭ টি দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপজেলায় আবাসিক ভবনে থাকার কথা। অথচ এদের থাকার জন্য কোন ভবন নেই। এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান ও কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রদীপ কুমার জানান, উপজেলায় আবাসিক ভবন না থাকার কারণে সরকারি কর্মকর্তাদের বাহিরে বসবাস করতে হয়। যার ফলে সরকারি অফিসিয়াল কাজকর্ম করতে অনেক সময় সমস্যার সৃষ্টি হয়। এছাড়া বাহিরে বসবাস করার কারণে নিরাপত্তাহীনতায়ও ভুগতে হয়। জাতীয় পার্টি এরশাদ সরকারের আমলে ১৯৮৫ সালে উপজেলায় সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বসবাসের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জন্য আবাসিক ভবন, উপজেলা চেয়ারম্যানের জন্য আবাসিক ভবন এবং একটি গেজেটেড কর্মকর্তা ভবন, একটি নন গেজেটেড কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবনসহ তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য আরো তিনটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। কালের পরিবর্তে  উপজেলা চেয়ারম্যানের আবাসিক ভবন পরিত্যক্ত হলে তাদের নতুন আবাসিক ভবন তৈরির কাজ চলমান। অথচ গেজেটেড কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য পুরাতন চারটি ভবন পরিত্যাক্ত হলেও নতুন করে কোন ভবন নির্মাণ না হওয়ায় অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই উপজেলায় থেকে অফিস করতে পারেন না। যার ফলে অনেক সময় সাধারণ মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আবাসিক সংকটের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, আমি যোগদান করার পর ভবন সংকটের বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। বর্তমানে পিরোজপুর-২ আসনে নব নির্বাচিত এমপি আহমদ সোহেল মনজুর মহোদয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। আমরা তার কাছে আমাদের সমস্যার বিষয়গুলো উপস্থাপন করব। আমরা আশাবাদী অতিদ্রুত এই সমস্যাগুলোর সমাধান পাবো।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে