চট্টগ্রামের হালিশহরের একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের শিশুসহ ৯ জন দগ্ধ হওয়ার ঘটনায় এখন পযর্ন্ত দুইজনের মৃত্যু খবর পাওয়া গেছে। গতকাল সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে দগ্ধ ৯ জনকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনার পথে শাওনের মা নুরজাহান আক্তার রানী মারা যান। তার শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
এদিকে আজ সকাল সোয়া ৭টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবির পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় দগ্ধ মো. শাওন (১৬) নামে আরো একজন মারা গেছেন।
এ বিষয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সকালের দিকে দিকে তার মৃত্যু হয়েছে। শাওনের শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। তার ইনহেলিশন ইনজুরি ছিল। বাকি সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানান ডা. শাওন।
এ ঘটনায় আরও সাতজন বর্তমানে জাতীয় বার্নে চিকিৎসাধীন। তারা হলেন- নুরজাহান আক্তার রানীর স্বামী সাখাওয়াত হোসেন (৪৬), ছোট মেয়ে আইমান (৯), সাখাওয়াতের দুই ভাই শিপন (৩০) ও সামির হোসেন সুমন (৪০), সামিরের বড় ছেলে আনাস (৭), ছোট মেয়ে আয়েশা আক্তার (৪) ও তার স্ত্রী পাখি আক্তার (৩৫)।
সোমবার ভোর ৫টার দিকে হালিশহরের এইচ ব্লকের হালিমা মঞ্জিল নামে একটি ভবনের তৃতীয় তলায় ভয়াবহ এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর পরপরই আগুন ধরে যায়। প্রতিবেশীরা জানান, শরীরে আগুন নিয়ে ওই পরিবারের সদস্যরা একে একে সবাই ঘর থেকে বের হয়ে আসেন। বিস্ফোরণের সময় তারা সেহরি করছিলেন।