জমি জবর দখল ও প্রাননাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভুগি পরিবারের পক্ষে মোশাররফ হোসেন মিল্লাত।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পৌরশহরের সিনেমা হল মোড় সংলগ্ন জজ মিয়া মার্কেটে সকাল ১১টায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জমি জবর দখল ও প্রাননাশের হুমকির বিস্তারিত বিবরণ লিখিতভাবে তুলে ধরেন ভুক্তভোগী মোশাররফ হোসেন মিল্লাত।
তিনি বলেন, আমার বাবা ও চাচা উপজেলার পৌরশহরের নান্দিনা আলিয়াবাদ মৌজার ১০ শতাংশ ভূমি ১৯৯৪ সালে জনৈক গোপেশ চন্দ্র চৌধুরীর নিকট থেকে ক্রয় করেন। এই ভূমির দক্ষিণাংশে ৭.৮১ শতাংশ ভূমি এবং আরো অতিরিক্ত ৭শতাংশ জায়গা সর্বসাকুল্যে ১৪ শতাংশ জায়গা জোরপূর্বক জবর দখল করে অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছেন ক্ষমতা ও পেশীশক্তির মাধ্যমে
বিবাদী দিঘীরপাড় ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামের মিয়া বাড়ির ফ্যাসীবাদ সরকারের বর্ষীয়ান এবং তৎকালীন মুজিবাদী নেতা মো. আজিজুর রহমান। তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারে না।
মোশারফ হোসেন মিল্লাত সংবাদ সন্মেলনে বলেন, উক্ত ভূমি নিয়ে বিবাদী আজিজুর রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন সালিস দরবার ও বৈঠক বসলেও প্রতিবারই তিনি ক্ষমতার প্রভাব কাটিয়ে নানা কৌশলে বিচারের রায় এড়িয়ে যান।
দীর্ঘদিন এভাবে চলতে থাকায়, পরবর্তীতে আদালতে মামলা করলে আদালত কর্তৃক উক্ত আজিজুর রহমানের প্রতারণমূলক মামলাগুলো খারিজ হয়ে যায়। পরবর্তীতে উক্ত মোকদ্দমাটি আজিজুর রহমান কিশোরগঞ্জের জজ আদালতে আপিল করেন। আপিলের মামলাটি দু'তর্ফা সূত্রে প্রায় চলমান থাকার পর আদালত কর্তৃক তা ডিসমিস হয়ে গেলেও আমাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার ন্যায্য প্রাপ্ত ভূমি জবরদখল করে আছেন। সন্মেলনে তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলে আশফাকুর রহমান আদনান কখনো উকিল কখনো সংবাদকর্মী পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন। তার নিয়োগকৃত গুন্ডা ও সন্ত্রাসী দিয়ে হুমকিধামকি দিয়ে বলছেন যে, প্রয়োজনে কোটি টাকা ছড়িয়ে দিবো, তবুও জায়গা ছাড়বো না। তাদের বাবা ছেলের কাছ থেকে নিজের প্রাণ রক্ষার্থে বিভিন্ন সময় প্রশাসনের দারস্থ হলেও এখন পর্যন্ত আমি কোনো সুবিচার পাচ্ছি না। বিচার না পেয়ে ও পর্যাক্রমিক প্রাণনাশের হুমকি ধামকিতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে বাঁচার শেষ আশ্রয় আপনাদের শরণাপন্ন হয়েছি। প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা আমাকে আপনারা সহযোগিতা করুন, আমি আপনাদের সহযোগিতায় আমি আমার বাবার ক্রয়কৃত ন্যায্য ভূমি বাবার জবরদখল করে রাখা ৩ শতাংশ ভূমি ও স্বাভাবিক বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা আপনাদের মাধ্যম ও সহযোগিতায় ফিরে পেতে চাই।