পঞ্চাশতম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা আগামী ৯ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে। পরীক্ষায় অংশ নিতে যেসব প্রতিবন্ধী প্রার্থীর শ্রুতিলেখক প্রয়োজন, তাদের ১০ মার্চের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন।
সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৯ এপ্রিল থেকে লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে। ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ জুলাই। ১০ আগস্ট থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ২৫ নভেম্বর ফল প্রকাশ করা হবে।
শ্রুতিলেখক প্রয়োজন এমন প্রার্থীদের ১০ মার্চ অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, ক্যাডার, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়, আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা বরাবর আবেদন করতে বলা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, “নির্ধারিত তারিখের মধ্যে আবেদন না করলে শ্রুতিলেখক নিয়োগ করা সম্ভব হবে না।” এছাড়া কেবল কমিশন অনুমোদিত শ্রুতিলেখকের সহায়তায় পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
আবেদনপত্রের সঙ্গে অনলাইন আবেদনপত্রের কপি, দুই কপি সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজের ছবি, সমাজসেবা অধিদপ্তরের সনদ বা সুবর্ণ নাগরিক সনদ এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে।
গত ৩০ জানুয়ারি প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ১০ ফেব্রুয়ারি ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১২ হাজার ৩৮৫ জন উত্তীর্ণ হন। ৫০তম বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারের ১ হাজার ৭৫৫টি এবং ননক্যাডারের ৩৯৫টিসহ মোট ২ হাজার ১৫০টি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। সবচেয়ে বেশি নিয়োগ হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে ৬৫০ জন। প্রশাসন ক্যাডারে নেওয়া হবে ২০০ জন এবং শিক্ষা ক্যাডারে ১৮৫ জন।
প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষা আটটি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে। মৌখিক পরীক্ষা হবে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে। কেন্দ্র পরিবর্তনের কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছে কমিশন। এক বছরের মধ্যে পুরো কার্যক্রম শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।