জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বাগেরহাট জেলা থেকে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন জেলা মহিলা দলের সভাপতি ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপিকা শাহিদা আক্তার। তৃণমূল রাজনীতিতে তার দীর্ঘদিনের সক্রিয়তা, রাজপথের লড়াকু ভূমিকা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে জেলার নেতাকর্মীদের মাঝে তাকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অধ্যাপিকা শাহিদা আক্তারের রাজনীতিতে হাতেখড়ি ছাত্রজীবনেই। তিনি খানজাহান আলী ডিগ্রি কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীকালে তিনি ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা মহিলা দলের শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে আসেন। ৯ প্রতিকূল পরিবেশে তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে একাধিক রাজনৈতিক মামলা ও পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয়েও তিনি দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম সচল রেখেছেন। ২০২২ সালে তাকে বাগেরহাট জেলা মহিলা দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়, যার পর থেকে জেলার ৯টি উপজেলা ও পৌরসভা গুলোতে মহিলা দল আরও সুসংগঠিত হয়েছে। কেবল দলীয় পদেই নয়, শাহিদা আক্তার জনপ্রতিনিধি হিসেবেও সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০০৯ সালে তিনি বিপুল ভোটে কচুয়া উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নারীদের প্রতিনিধিত্ব করতে চীনের বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ৪র্থ বিশ্ব নারী সম্মেলনেও অংশগ্রহণ করেন। বাগেরহাট জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নার্গিস আক্তার ইভাসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন, শাহিদা আক্তারের মতো একজন উচ্চশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ নেত্রীকে সংসদে পাঠালে জেলার নারীদের অধিকার ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। স্থানীয় বিএনপি নেতা কামাল হোসেন বলেন, "শাহিদা আপা দু:সময়ে সবসময় আমাদের পাশে ছিলেন। তাকে সংরক্ষিত নারী আসনে ামনোনয়ন দেওয়া হলে তৃণমূলের কর্মীরা মূল্যায়িত হবে। এ বিষয়ে শাহিদা আক্তার সাংবাদিকদের জানান,"আমি সারাজীবন সাধারণ মানুষের অধিকার এবং নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করেছি। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেয়, তবে আমি বাগেরহাটের অবহেলিত মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে সংসদে কথা বলতে চাই।" তিনি দলের হাইকমান্ড ও বিশেষ করে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে আশা করেন যে, তার দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও শ্রমের সঠিক মূল্যায়ন হবে।