চাঁদা না দেওয়ায় ঠিকাদারকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

এফএনএস (মোঃ আরিফুল হক তারেক; মুলাদী, বরিশাল) : | প্রকাশ: ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:১১ পিএম
চাঁদা না দেওয়ায় ঠিকাদারকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

বরিশালর মুলাদীতে চাঁদা না দেওয়ায় ঠিকাদারকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে দুই সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে। গতকাল রোববার বিকেল ৪টার দিকে মুলাদী উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্যানেটারি ঠিকাদার ইসরাফিল আকনকে মারধর করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়ী চালক মো. জহির উদ্দীন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর গাড়ী চালক মো. শামিম হোসেনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে। তবে গাড়ী চালক মো. জহির উদ্দীন চাদা দাবি ও ঠিকাদারকে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। এঘটনায় ঠিকাদার ইসরাফিল রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মুলাদী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। ঠিকাদার ইসরাফিল আকন জানান, তিনি মুলাদী সরকারি কর্মচারী আবাসিক ভবনে স্যানেটারি সংস্কার কাজ করছিলেন। রোববার দুপুরে জহির উদ্দীন ও শামিম হোসেন তার কাছে মিষ্টি খাওয়ার খরচের টাকা দাবি করেন। ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কাজ বন্ধ রাখতে বলেন তারা।  বিকেল ৪টার দিকে একটি গ্রিল ঝালাইয়ের দোকানে নেওয়ার সময় জহির ও শামিম তার পথরোধ করেন এবং টাকা না দেওয়ার কারণ জানতে চান। ইসরাফিল ছোট কাজের জন্য কোন টাকা দিতে পারবেন জানালে দুজনে এলোপাথারি কিল-ঘুসি দিয়ে তাকে এবং তার সহযোগী সাব্বির হাসানকে আহত করেন। পরে পার্শ্ববর্তী লোকজন তাদের উদ্ধার করে মুলাদী হাসপাতালে ভর্তি করেন।  এব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়ী চালক মো. জহির উদ্দীন বলেন, ঠিকাদার কোয়ার্টারে কাজ করার সময় নারীদের সঙ্গে অশালীন ব্যবহার ও অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেছেন। তাই তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিচার দেওয়াে কথা জানানো হয়েছে। তিনি বিষয়টি ভিন্নখাতে নিতে চাঁদা ও মারধরের মিথ্যা অভিযোগ করে থাকতে পারেন।  মুলাদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মমিন হোসেন বলেন, দুই সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঠিকাদার অভিযোগ করেছেন। এবিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  এব্যাপারে মুলাদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম সরওয়ার বলেন, 'আমি ছুটিতে রয়েছি। সরকারি কর্মচারী কিংবা অন্য কারও চাঁদা দাবি করার সুযোগ নেই। বিষয়টি প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'