রাজশাহীর তানোরে জামায়াতের নবনির্বাচিত এমপির ব্যানার ও ফেস্টুন জোরপূর্বক ছিড়ে সড়ানোকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এঘটনায় সোমবার ২ মার্চ তানোর পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা মকছেদ আলী বাদী হয়ে তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে তানোর থানা ও ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এনিয়ে জামায়াত নেতাকর্মী ও সমর্থকের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযোগ ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে নবনির্বাচিত এমপি ও জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের বিভিন্ন ধরণের ব্যানার ও ফেস্টুন তানোর থানার সিমানা প্রাচীরে সাটানো ছিল। এঅবস্থায় গত ১ মার্চ দিবাগত রাত ৯ ঘটিকার সময় বিএনপি নেতা ও তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজানের নেতৃত্বে এমপি মুজিবুরের সব ব্যানার ও ফেস্টুন ছিড়ে সড়িয়ে ফেলা হয়।
পরে সেখানে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ছবি সম্বলিত অর্ধশতাধিক বিশাল বিলবোর্ড ও ব্যানার জোরপূর্বক স্থাপন করেন মিজান। এসময় জামায়াতের নেতৃবৃন্দ প্রতিবাদ করতে এগিয়ে গেলে উভয়ের মধ্যে বাগবিতন্ডা ও দাম্ভিকতা চলে। একপর্যায়ে রাতেই বেশ কিছু স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ ও সাবেক মেয়র মিজানের নেতৃত্বে নেতাকর্মীর মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করে। পরে জামায়াতের লোকজন সরে গেলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
এনিয়ে তানোর পৌর জামায়াতের আমীর মাও. মকছেদ আলী বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় তাদের এমপির ব্যানারগুলো সরিয়ে সেখানে বিএনপির দলীয় ব্যানার স্থাপন করেছেন সাবেক মেয়র মিজান। আইনগত প্রতিকারের জন্য তিনি বাদী হয়ে সোমবার দুপুরে মিজানের বিরুদ্ধে তানোর থানায় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে, এসংক্রান্ত ব্যাপারে বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিজানের মোবাইলে ফোন দেয়া হলেও রিসিভ হয়নি। তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মাদ শহীদুজ্জামান বলেন, এমন ঘটনা নিয়ে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে, অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এব্যাপারে তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, এমন ঘটনার অভিযোগ জাতায়াতের নেতৃবৃন্দ তাঁর কাছে নিয়ে আসেন। এসময় তিনি প্রসেসিং অনুযারী অভিযোগ জমা দেবার জন্য বলেন। কিন্তু পরে তাঁর অফিসে অভিযোগ জমা হয়েছে কি না এখনো তিনি পাননি বলে জানান ইউএনও। রা/অ