কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, কুলিয়ারচর, নিকলী, অষ্টগ্রাম, ইটনা, মিঠামইনসহ বিভিন্ন উপজেলায় জমি কেটে টপসয়েল মাটি নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রশাসন এই বিষয়ে কোনো ভূমিকা নিচ্ছে না বলে এলাকাবাসীদের অভিযোগ। এরই ধারাবাহিকতায় বাজিতপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষি জমি কেটে টপসয়েল মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ভেকু খেকু নামক অসাধু প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা। এদিকে কুলিয়ারচর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এসব ব্যবসা চলছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। অন্যদিকে নিকলী উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে অসাধু মাটি ব্যবসায়ী ও নেতারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে হাওরের বুক থেকে অবৈধভাবে ফসলী জমি কেটে অবৈধভাবে উর্বর জমি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া এই উপজেলার গুরুই, জারইতলা, দামপাড়া, কারপাশাসহ নিকলী উপজেলার অন্তত ২১টি স্পটে হাওরের ফসলী জমি কাটছেন। অন্যদিকে নিকলী সদরে মাটি কাটছে ইটখলার মালিকরা দিনে ও রাতে। সদর নাগরিকদের অভিযোগ উপজেলা প্রশাসন কি উৎকোচ পেয়ে থাকেন কি না সেটা নাগরিকদের প্রশ্ন। নিকলীর জনবহুল বিভিন্ন হাওরে এই অসাধু ব্যবসায়ীরা সারাবছরই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এসব অভিযোগের নিকলী বাসীর কোনো অন্ত নেই। অভিযোগ দিলেও নিকলী বাসীর কোনো উপকারে আসে না বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রায়ই দেড় যুগ ধরে ব্যবধানে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে। কিছু বিএনপি নামধারী নেতারা মাটি বিক্রি করে দখল বাণিজ্যের সুযোগে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক উঠছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিকলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রতিক দত্তকে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবৈধ মাটি কাটার বিষয়ে বিভিন্ন সময় এইসব চক্রদেরকে লক্ষ লক্ষ টাকা জরিমানা করেও তাদের দমন করা যাচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, আমি যতদিন নিকলীতে আছি ততদিন অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।