পাঁচবিবি উপজেলায় ৫৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। চলছে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে। নড়বড়ে প্রশাসনিক অবস্থা। শিক্ষকেরা নিজের ইচ্ছামত যায় আসে। অভিভাবক মহলে নানা প্রশ্ন। পাঁচবিবি উপজেলাতে ১১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তন্মধ্যে ৯৬টি সরকারি, অবশিষ্ট ১৫টি কিন্ডারগার্টেন স্কুল। কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো চলে ব্যক্তি মালিকানায়, শিক্ষকদের বেতন যৎসামান্য, অনেক ক্ষেত্রে মাসিক ২/৩ হাজার টাকা, এরপর ও তারা পাঠদানের ক্ষেত্রে নিবেদিত। মালিক নিজে থেকে পরিচালনা করেন বিধায় কোন সমস্যা হয়না। উপজেলার ৯৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৪টি বিদ্যালয়েই প্রধান শিক্ষক নেই। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনার কাজ চলছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকগন সকলেই সহকারী শিক্ষক। তারা শ্রেণি পাঠদানে ভালো হলেও স্কুলের প্রশাসনিক কাজে অনভিজ্ঞ, ফলে স্কুলগুলোতে চলছে হ য ব ল র অবস্থা, এমন অভিযোগ ভুক্তভোগী অভিভাবকদের। ভারপ্রাপ্তরা স্কুল কেমন চালাচ্ছেন জানতে চাইলে উচনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম জানান " বাড়িতে গৃহস্থ না থাকলে বাড়ির অবস্থা যে-রকম হয় " অর্থাৎ-গৃহস্থহীন সংসার যেমন অচল হয়ে পড়ে, প্রধান শিক্ষকবিহীন বিদ্যালয় গুলোর ঠিক একই অবস্থা। প্রধান শিক্ষক না থাকায় শ্রেণি পাঠদানে গাফিলতির জন্য সহকারী শিক্ষকদের কারো কাছে জবাবদাহি করতে হয়না। তারা ইচ্ছে মতো আসে আাবার ইচ্ছে মতো যায়। বাগজানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আওতাধীন অভিভাবক আবুল কালাম বলেন "বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় আমাদের ছেলে মেয়েদের সমস্যার কথা কাওকে বলতে পারিনা, ভারপ্রাপ্তকে বললে তিনি বলেন আমাকে বলে কোনো লাভ হবেনা। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আজিজুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান " প্রধান শিক্ষক না থাকাতে তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছেনা, ভারপ্রাপ্তরা মোটামুটি চালাচ্ছে।