বরিশালের ফিলিং স্টেশনে অকটেন সংকট

এফএনএস (বরিশাল প্রতিবেদক) : | প্রকাশ: ৭ মার্চ, ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
বরিশালের ফিলিং স্টেশনে অকটেন সংকট

বরিশালে ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে তেলের অভাবে নতুন বাজারে একটি স্টেশন বন্ধ রেখেছে মালিক। তবে বরিশালে কোন জ্বালানি তেলেরই দাম বৃদ্ধি পায়নি। আগের দামেই সরকার নির্ধারিত পরিমানে বিক্রি হচ্ছে ব্যবসায়ীদের সরবরাহে থাকা জ্বালানি তেলগুলো। শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুর থেকে বরিশাল নগরীর অধিকাংশ পাম্পে অকটেন সংকট দেখা দেয়। অনেকেই বাধ্য হয়ে অকটেনের পরিবর্তে পেট্রোল সংগ্রহ করছেন। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত বরিশাল নগরীর নতুন বাজার, নথুল্লাবাদ, কাশিপুর, রূপাতলীসহ বিভিন্ন এলাকার পেট্রোল পাম্প ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র। পাম্পগুলোর সামনে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে ‘অকটেন নেই’ লেখা বোর্ড। হঠাৎ এই সংকটে বিপাকে পরেছেন মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালকরা। চালকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের আশঙ্কা করছেন তারা। এই আতঙ্ক থেকে অনেক চালক আগেভাগেই তাদের যানবাহনের ফুয়েল ট্যাংক পূর্ণ করে রাখতে চাইছেন। ফলে চাহিদাও কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। ফিলিং স্টেশনের স্টাফরা জানিয়েছেন, শুক্রবার দিনভর পেট্রোল, অকটেন এবং ডিজেল বিগতদিনগুলোর থেকে দ্বিগুন পরিমানে বিক্রি হয়েছে। এ কারণে স্বাভাবিক চাহিদার থেকে একদিনে দ্বিগুন বিক্রি হয়েছে। আর শনিবার দুপুর পর্যন্ত অনেক ফিলিং স্টেশনে তেলবাহী গাড়ি না পৌঁছানোর কারণে চাহিদা অনুযায়ী তেল ক্রেতাদের দিতে পারছেন না। সুরভী ফিলিং স্টেশনের সহকারী ম্যানেজার মো. রাফি বলেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই আমাদের পাম্পে অকটেন নেই। আর পেট্রোলের চাহিদাও বেড়েছে কয়েকগুণ। তাই সরকার নির্ধারিত পরিমানের থেকে বেশি কাউকে তেল দেওয়া হচ্ছেনা। অপরদিকে নতুন বাজার এলাকার ইসরাইল ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আব্দুর রব সিকদার জানান, পর্যাপ্ত আমদানি না থাকায় এই সাময়িক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ডিজেল চালিত পরিবহনের চালকরা জানিয়েছেন, ডিজেল পেতে তাদের এখন পর্যন্ত কোন সমস্যা হচ্ছেনা। অপরদিকে ডিপোগুলো থেকে জানানো হয়েছে, তেলবাহী জাহাজ আসার ওপরে নির্ভর করে ডিপোগুলো। সে অনুযায়ী রবিবার (৮ মার্চ) পাম্পে স্বাভাবিকভাবে আবারও সবধরণের তেল সরবরাহ করা হবে। মেঘনা পেট্রোলিয়াম বরিশালের ডিপো ইনচার্জ মো. শাহ আলম জানান, উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। মজুত যা রয়েছে, তাতে সংকট তৈরির কোনো আশঙ্কা নেই।    


আপনার জেলার সংবাদ পড়তে