র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল বুধবার (১১মার্চ) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কতিপয় লোক ডিএমপি ঢাকার ডেমরা থানাধীন সারুলিয়াস্থ সুকুশী পাথরঘাট এলাকার একটি ৪ তলা ভবনের ৪র্থ তলার একটি বাসায় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করছে। সুকুশী পাথরঘাট এলাকায় ওই ভবনের সামনে পৌছালে একজন ব্যক্তি একটি লাল রংয়ের শপিং ব্যাগ হাতে নিয়ে সুকৌশলে পালানোর চেষ্টা করলে র্যাব সদস্যগণ তাকে আটক করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদান্তে বিধি মোতাবেক তল্লাশী করলে হাতে থাকা লাল রংয়ের শপিং ব্যাগের মধ্যে রক্ষিত ৩৮৬৫ পিচ (তিন হাজার আটশত পয়ষট্টি) পিচ গোলাপী ও হালকা কমলা রংয়ের ইয়াবা ট্যাবলেট, ১১ পুরিয়া ও ২৭৮ গ্রাম হেরোইন যার সর্বমোট আনুমানিক অবৈধ বাজার মূল্য ৪০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা প্রায়। আটককৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদে তার নাম মোঃ ফাহিম হোসেন (২৯), পিতা- মোঃ শামছুদ্দিন, সাং— সারুলিয়াস্থ সুকুশী পাথরঘাট, থানা- ডেমরা, ডিএমপি, ঢাকা বলে জানা যায়। র্যাব-১০ এর উক্ত আভিযানিক দল মাদক অভিযান পরিচালনা শেষে ফেরার সময় বুধবার ডিএমপি, ঢাকার ডেমরা থানাধীন সারুলিয়াস্থ জোকা সান্দিরা বালুরঘাট পৌছা মাত্র র্যাবের সরকারি পিকআপ গাড়ির উপস্থিতি টের পেয়ে একজন লোক উত্তর দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে র্যাব-১০ এর সদস্যগণ তাকে আটক করে। আটককৃত ব্যক্তির উক্ত স্থান হতে দৌড়ে পালানোর কারন জিজ্ঞাসা করলে তার কথাবার্তা ও আচরণে সন্দেহের সৃষ্টি হওয়ায় তাকে বিধি মোতাবেক তল্লাশী করে তার পরিহিত প্যান্টের কোমরের পিছনে গোজা অবস্থায় ০১ (এক) টি মাঝারি আকৃতির লোহার তৈরি দেশীয় একনলা বন্দুক এবং পরিহিত প্যান্টের ডান পকেট হতে ০২ টি নীল ও সোনালী রংয়ের ১২ বোরের সীসার তৈরি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। আটককৃত ব্যক্তির নাম মোঃ হাসিবুল হাসান শান্ত(২৬), পিতা- মৃত শুক্কুর আলী, সাং-সারুলিয়াস্থ জোকা সান্দিরা বালুরঘাট শুক্কুর আলীর বাসা, থানা- ডিএমপি, ঢাকা বলে জানা যায়। এছাড়াও র্যাব-১০ এর অপর একটি আভিযানিক দল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যাত্রাবাড়ী থানাধীন দোলাইপাড় এলাকায় ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ের পাশে হতে মোঃ মামুন মিয়া (২১), পিতা- হেলাল মিয়া, সাং-বৌবাজার, থানা- কদমতলী, ডিএমপি, ঢাকা নামে ছিনতাইকারী চক্রের একজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। উক্ত ছিনতাইকারীর নিকট হতে ছিনতাইয়ের বিভিন্ন আলামতও উদ্ধার করা হয়। র্যাব-১০ এর নিরবচ্ছিন্ন গোয়েন্দা তৎপরতা, দ্রুত প্রতিক্রিয়া ও পেশাদারিত্বের একটি উদাহরণ ছিল এই অভিযান। লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্রের উৎস ও ব্যবহারকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে র্যাবের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও রাজধানী জুড়ে ছিনতাইকারীদের অপতৎপরতা রুখতে র্যাব বদ্ধ পরিকর। যদি কোথাও অবৈধ অস্ত্র, মাদক বা অপরাধমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকে, তবে তা র্যাবকে জানিয়ে সহযোগিতা করুন। আপনার একটি তথ্য হতে পারে একটি পরিবার বা একটি জীবনের জন্য রক্ষাকবচ। গ্রেফতারকৃত আসামিগণের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।