জিয়ানগরে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

এফএনএস (শহিদুল ইসলাম; জিয়ানগর, ) :
| আপডেট: ১৭ মার্চ, ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম | প্রকাশ: ১৭ মার্চ, ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
জিয়ানগরে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

পিরোজপুরের জিয়ানগরে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদের বাজার। ঈদ মানে আনন্দ ঈদ মানে খুশি। নতুন পোষাক ই ঈদের বাড়তি আকর্ষণ বাড়তি উৎসাহ উদ্দীপনা মজা। মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর তাই এই উৎসবকে ঘিরে উন্মাদনা বরাবরই লক্ষণীয়। ঈদের আনন্দকে পূর্ণতা দেওয়ার জন্যই ক্রেতারা ছুটছেন বিভিন্ন মার্কেটে পছন্দের পণ্য ক্রয়ের জন্য। পিরোজপুরের জিয়ানগরে ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে কেনাকাটা। ভিড় জমেছে কাপড়ের দোকান থেকে শুরু করে সেলুন পর্যন্ত । উপজেলার সদরের বাজার ইন্দুরকানি, ঘোষের হাট, বালিপাড়া, চন্ডিপুর এবং পত্তাশীর মার্কেটগুলোতে ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত হচ্ছে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত । অন্যদিকে উপজেলাধীন পাড়েরহাট বন্দরের বাজারটি বহু যুগ ধরেই আলাদা একটি ঐতিহ্য বহন করে আসছে এবং স্থানীয়  ক্রেতারা এই বাজার থেকে কেনাকাটা করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে বিধায় এটি একটি বড় বাণিজ্যিক মার্কেট। এই মার্কেটেও ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইন্দুরকানী সদর বাজার, ঘোষের হাট এবং পাড়েরহাট বাজারে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কাপড়, কসমেটিক,জুতা, সেলুনের দোকানগুলোতে উপচে ভরা ভিড় লেগে আছে। তবে জিনিসপত্রের দাম তুলনামূলকভাবে একটু বেশি হওয়াতে ক্রেতাদের মাঝে কিছুটা হতাশা লক্ষ্য করা গেছে। মার্কেটের দোকানিরা জানান, পণ্যের গুণগতমানের কারণে দাম সামান্য একটু বেশি। যেমন মাল তেমন দাম।  উপজেলার সদর বাজার হিসেবে ইন্দুরকানী বাজারে ঈদের মৌসুমে সব সময়ই বেশি জনসমাগম হয়। এই উপজেলার কোলঘেসা উপজেলা মোড়েলগঞ্জের চন্ডিপুর ও হোগলা বুনিয়া ইউনিয়নের যাতায়াত ব্যবস্থা এখানে সহজ হওয়ায় ক্রেতারা বাড়তি সুবিধা পান। দোকানিরা শিশুদের দোকানের দিকে আকৃষ্ট করতে নানা ধরনের খেলনার পসরা সাজিয়ে রেখে কৌষলে বেশ ভালো বিকি বিক্রি করছে। কাপর কিনতে আশা ক্রেতা আহাদুজ্জামান খান জানান, “আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। সংসার চালাই বড় হিসাব করে তারপরও বাচ্চার ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করতে চাইনিনা বিধায় ওর জন্য কিছু কেনাকাটা করতে আসছি কষ্ট করে” গার্মেন্টস ও কাপর ব্যবসায়ী আসাদ হাং বলেন, “প্রত্যেক মালেই দাম কিছুটা বেশি যার ফলে ক্রেতাদের পছন্দের দামে পোষাক দিতে পারছি না। তারপরেও তাদের খুশি রেখে মাল বিক্রি করার চেষ্টা করছি ইন্দুরকানী বাজার ব্যবসায়ী সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ হাওলাদার জানান, আমরা মার্কেটের দিকে নজর রাখছি যাতে কোন দোকানদার খামখেয়ালী দাম না রাখতে পারে কোন ক্রেতার কাছ থেকে। আমরা বাজার কমিটি ক্রেতাদের সেবা দিতে বদ্ধপরিকর। জিয়ানগর  থানা অফিসার ইনচার্জ মো. শামীম হাওলাদার বলেন, “ঈদ উপলক্ষে বাজারে আমরা নজরদারি বারিয়েছি।  কোনো কারনে আইনশৃঙ্খলা অবনতি ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে