স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর পিরোজপুরে ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধে যাঁরা গণহত্যার শিকার হয়েছেন তাদের প্রকৃত সংখ্যা ও তালিকা তৈরির উদ্যোগ গ্রহন করার কথা বলেছেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক। আজ বুধবার গণহত্যা দিবসের নির্ধারিত আলোচনা সভায় এ উদ্যোগের কথা জানান পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ। আজ গণহত্যা দিবস পালনকালে পিরোজপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক-সাইফ মিজান মিলনায়তনে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিভিন্ন বক্তা বলেন ৭১ এর ২৫ মার্চ কাল রাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চ লাইট নামে ঢাকাসহ সারা দেশে গণহত্যা চালায়। বক্তারা বলেন ওই গণহত্যা এবং পরে ৯ মাস রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধে কত লোক শহীদ হয়েছেন এর সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। আলোচনাসভায় পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ শহিদুল হক চান বলেন, ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ বাঙালী শহীদ হয়েছে বলা হলেও মাত্র কয়েক হাজার শহীদ পরিবার সরকারী ভাতা পায়। তিনিসহ অন্যান্য বক্তারা বলেন শহীদদের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে বিতর্ক হয়, এজন্য শহীদদের প্রকৃত সংখ্যা উদঘাটন করা প্রয়োজন। এসময়ে জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ সভাপতির বক্তব্য প্রদানকালে বলেন, পিরোজপুর জেলায় ৭১ এ কতজন শহীদ হয়েছেন তার প্রকৃত সংখ্যা উদঘাটন এবং শহীদদের একটি তালিকা তৈরি করার শিঘ্রই উদ্যোগ গ্রহন করা হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আলাউদ্দিন ভূঁইয়া জনির সঞ্চালনায় আলোচনাসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পিরোজপুর সরকারী সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক পান্না লাল রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরীন জাহান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহবায়ক আহমেদ শহিদুল হক চান, সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক মুনান, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস. এম. সাইদুল ইসলাম কিসমত, জেলা শিক্ষা অফিসার ইদ্রিস আলী আজিজি, পিরেআজপুর প্রেসক্লাব সভাপতি অ্যাড. এস. এম. রেজাউল ইসলাম শামীম, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি সাংবাদিক মুনিরুজ্জামান নাসিম প্রমুখ।