আশাশুনি উপজেলার পাইথালী মৌজায় সূর্য্যখালী বিলে ভোগদখলীয় মৎস্য ঘেরের বাঁধ কেটে একাকার, মাছ লুট ও ঘেরের বাসায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। ঘোর মালিক পদ্মবেউলা গ্রামের মৃত আহম্মাদ আলী মোড়লের ছেলে লেয়াকত আলী মোড়ল বাদী হয়ে দাখিলকৃত অভিযোগ ও তিনি জানান, পাইথালী মৌজায় পৈত্রিক সূত্রে ও হারীকৃত ৫ বিঘা জমিতে তিনি ২০২৩ সাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভাবে মৎস্য চাষ করে আসছেন। ইতিপূর্বে জমি ডিড দিয়ে উপস্বত্ত ভোগ করে এসেছি। বিবাদী আলামিন মোড়ল, সোনা মোড়ল, জাহাঙ্গীর মোড়ল, সুজন মোড়ল, ইয়াছিন মোড়লদের ঘেরের মধ্যে ৩১ শতক সম্পত্তি আছে। যা তারা আলাদা ভাবে ভেড়ীবাধ দিয়ে নিয়েছে। অবশিষ্ট সম্পত্তিতে বাদী লক্ষাধিক টাকার মাছ ছেড়ড়ে রক্ষনাবেক্ষন করছে। ১১ ফেব্রুয়ারী বাঁধে বাদীর অংশে কাজ করছিলেন। এসময় সোনা মোড়ল, জাহাঙ্গীর, ছলেমান, আলামিন, সুজন, হাসান, ইয়াছিন ঘেরে গিয়ে কাজে বাঁধা ও এক পর্যায়ে বেদম মারপিট করে। গুরুতর আহত জাহা বাক্কারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এব্যাপারে আদালতে ১৬ ফেব্রুয়ারী ০৭ নং মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় জামিন পেয়ে তারা বাদীপক্ষকে মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন ভাবে হুমকী ও ভয়ভীতি দেখাতে থাকে। তাদের হাত থেকে রক্ষা পেতে বাদী আশাশুনি থানায় ২২ ফেব্রুয়ারী ১০১২ নং সাধারণ ডায়রী করেন। তারপরও তারা নানা ভাবে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। গত ২৪ মার্চ রাত্রে বাদী ও বাদীর বাড়ীর লোকজন বুধহাটায় বিবাহ অনুষ্ঠানে ছিল। এদিন রাত্রের যে কোন সময় বিবাদীরা শত্রুতা মূলক ভাবে ঘেরের ভেড়ীবাধ কেটে অনু: ২০,০০০ টাকার ক্ষতিসাধন ও ৩০,০০০ টাকার বড় বাগদা ধরে নেয় এবং ঘেরের বাসা ও বাসার মালামাল আগুনে পুড়িয়ে ১৫,০০০ টাকার ক্ষতি করে। মৎস্য ঘেরের দু'স্থানে বাঁধ কেটে তাদের ঘেরের সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। এব্যাপারে বাদী পক্ষ প্রতিপক্ষের দ্বারা ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে প্রতিকার হুমকী ধামকীর হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।