কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সীমান্তবর্তী এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে একজন আসামী সহ বিস্ফোরক বোমা (ওজন-১.২০০ কেজি) এবং বিপুল পরিমাণ চোরাচালানী মালামাল উদ্ধার করেছে। ০৪ এপ্রিল ধলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ধলা মাঠে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশী চোরাকারবারী মোঃ মনতাজ আলী (৬০), পিতা-মৃত আফসার আলী, গ্রাম-কালিয়ানী ভিটাপাড়া, থানা- গাংনী, জেলা-মেহেরপুর’কে আটক করা হয়। এ সময় তার নিকট থেকে ২টি বিস্ফোরক বোমা (ওজন-১.২০০ কেজি) এবং ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তবে তার সহযোগী অপর একজন আসামী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ১,২২,০০০ টাকা। আটককৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এসব বিস্ফোরক বোমা ভারত থেকে বাংলাদেশে চোরাচালানের মাধ্যমে আনা হয়েছে। আটক ও পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে মামলা দায়েরপূর্বক উদ্ধারকৃত বিস্ফোরকসহ আটক ব্যক্তিকে গাংনী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর পূর্বে ঘটিকায় কাথুলি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ৯ বোতল ভারতীয় মদ এবং ১,০০০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক সিজার মূল্য ৩,১৩,৫০০ টাকা। একই রাতে চিলমারী বিওপির শান্তিপাড়া এলাকায় পরিচালিত আরেকটি অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ১,১৬০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট, ৮৪০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট এবং ৫৫ প্যাকেট পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক সিজার মূল্য ৬,০৩,০২৫ টাকা। কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে। দেশের যুবসমাজকে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির এ ধরনের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।