প্রবাসে একই কোম্পানীতে চকুরির সুবাদে আসামি মো: ইসমাইল হোসেন (৩৬) এর সাথে ভিকটিমের পরিচয় হয়। প্রায় ০৭ বছর পূর্বে ভিকটিমকে আসামি মো: ইসমাইল হোসেন দেশে পারিবারিক ভাবে বিবাহ করে। বিবাহের পর হতে বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মধ্যে দাম্পত্য জীবনে কলহ শুরু হয়। উক্ত কলহের জেরে আসামি মো: ইসমাইল হোসেন ভিকটিমকে বিভিন্ন সময় মারধর করত। ঘটনার একমাস পূর্বে ভিকটিম দেশে ফিরলে আসামি ইসমাইল হোসেনও দেশে ফিরে ভিকটিমের সাথে বিভিন্ন উপায়ে যোগাযোগের চেষ্টা করে। এরই প্রেক্ষিতে গত মার্চ মাসের ১৪ তারিখ ভোরে আসামি ইসমাইল হোসেন ভিকটিমকে মোবাইল ফোনের মধ্যমে ঢাকা জেলার দোহার থানাধীন নয়াবাড়ী এলাকায় ভুক্তভোগীর বাবার বাড়ীতে বাহিরে আসতে বলে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর ডাক-চিৎকারে তার বাবা ঘরের বাহিরে এসে বাড়ীর টিউবওয়েল পাড়ে ভিকটিমকে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। ভিকটিমের পরিবারের লোকজন তাৎক্ষণিক দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর ডিসিস্টের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা জেলার দোহার থানায় মামলা নং- ২৫, তারিখ- ১৬/০৩/২০২৬ খ্রি., ধারা- ৩০২/৩৪ পেনাল কোড, ১৮৬০ অনুযায়ী একটি মামলা রুজু হয়| মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০, ঢাকা বরাবর অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ০৭ এপ্রিল সকালে র্যাব-১০ এর সিপিসি-২ শ্রীণগর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় এবং র্যাব-১১ এর সহযোগীতায় নোয়খালী জেলার চরজব্বার এলাকা থেকে বর্ণিত হত্যা মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মো: ইসমাইল হোসেন (৩৬), পিতা- মো: গিয়াসউদ্দিন, সাং- গামছাখালী, থানা- হাতিয়া, জেলা- নোয়াখালী’কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।