ঐতিহাসিক জনপদ খুলনার কপিলমুনি(বিনোদগঞ্জ) শতবছর আগেই প্রতিষ্ঠা করেন দানবীর রায় সাহেব বিনোদ বিহারি সাধু। তৎকালীন সময় সব থাকলেও সময়ের কালক্রমে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের জন্য ছিলো না ঈদগাহ ময়দান। অবশেষে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যবাহী এ জনপদ কপিলমুনিতে ঈদগাহ নির্মাণের কার্যক্রম শুরু করেছে প্রশাসন। বাসস চেয়ারম্যান ও দৈনিক ইত্তেফাকের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার আলদীনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ সমন্বয়ে ঐতিহ্যবাহী কপিলমুনির নুনদার পুকুরের ভরাটকৃত স্থানে স্থাপিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদগাহ ময়দান। এ উপলক্ষে গত ১ এপ্রিল পাইকগাছা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: ফজলে রাব্বীর নেতৃত্বে সার্ভেয়ারসহ অন্যান্যরা জেলা পরিষদের মালিকানাধীন সেখানকার ৫২ শতক জমির জরিপ কাজ সম্পন্ন করে প্রতিবেদন সম্ভাব্যতা প্রতিবেদন প্রেরণ করেছেন। উল্লেখ্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্িিরতর জনপদ কপিলমুনিতে ইসলাম ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যেমন মসজিদ, মাদ্রাসা, বেদ মন্দির, রামকৃষ্ণ মন্দির, কালী মন্দির, মনষা মন্দির, কপিলদেবের আশ্রম, বারুনীর স্নানঘাট, হযরত পীর জাফর আউলিয়ার মাজারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব থাকলেও ঈদের জামায়াত অনুষ্টানে কোন ঈদগাহ নেই। ঈদগাহ না থাকায প্রতিবছার ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামায আদায় করতে হয় স্থানীয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে। ঠিক এমন পরিস্থিতিতে দীর্ঘ দিন পরে হলেও জনপদের মুসল্লীদের জনদাবির প্রেক্ষিতে সিনিয়র সাংবাদিক আনোয়ার আল দীনের ঐকিান্তিক প্রচেষ্ঠায় জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ সমন্বয়ে ঈদগাহ নির্মাণের এ কার্যক্রম শুরু করেছে। সর্বশেষ ঘটনায় স্বস্তি ফিরেছে জনপদের সর্ব স্তরের ইসলামধর্মাবলম্বীদের মধ্যে।