কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আল্লার দর্গা জয়ভোগা গ্রামের এডু কেয়ার স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণীর স্কুল ছাত্র যুবায়ের হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সে সহ সহপাঠীদের সঙ্গে নিয়ে হল সুপারের সাথে দেখা করে বলে আমি অসুস্থ আমাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। হোস্টেলের হল সুপার কোন প্রকার গুরুত্ব না দিয়ে তাদের তাড়িয়ে দেয়। রাত ২ টার দিকে যুবায়ের মারা যায়। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের মাতম। জানা গেছে গত ৮ এপ্রিল বুধবার কুষ্টিয়ার এডু কেয়ার স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণীর ছাত্র। যুবায়ের আহমেদ একজন মেধাবী ছাত্র হিসেবে বাবা মায়ের ইচ্ছা তাকে ডাক্তার বানাবেন। সে ইচ্ছা আজ কফিনে বন্দী। ময়না তদন্তের পর বিকেলে লাশ নিজ গ্রামে এলে আত্মীয় স্বজন-পাড়া প্রতিবেশী এক নজর দেখার জন্য ভিড় করে এবং কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। পরে বাদ আছর এলাকার কবর স্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। যুবায়ের আহমেদ জয়ভোগা গ্রামের গ্রাম্য ডাক্তার মহাসিন আলীর ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে সে বাবা মায়ের প্রথম সন্তান। কুষ্টিয়ার স্থানীয়দের কথায় শিক্ষার্থী মৃত্যুর পর জানা গেল, এডুকেয়ার স্কুল এন্ড কলেজের আবাসিক হোটেল একটি টর্চারসেল।খুবই দুঃখজনক ঘটনা, স্কুল কর্তৃপক্ষদের শিশুদের প্রতি ভালোবাসা এবং সকল ধরনের সেবা দেওয়া উচিত! কোন ধরনের খারাপ ব্যবহার করা উচিত নয়, ছাত্রদের সাথে এই ধরনের আচরণ উচিত নয়! এডুকেয়ার স্কুল তো নয় ওটা হচ্ছে কসাইখানা, ব্যবসা করার একটা প্রতিষ্ঠান। কসাইয়ের দয়া মায়া আছে। এডুকেয়ারের চেয়ারম্যান ওর কোন দয়াময় নাই। অর্থ ছাড়া। ওর প্রথম জীবন বর্তমান জীবন পর্যালোচনা করলে বোঝা যায় কিভাবে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব ডি ব্লকের মতন জায়গা সে একজন ছাত্র হয়ে জায়গা বাগিয়েছে দিয়েছে প্রভাব খাটিয়ে। এটা তো সেবার ব্যবসা না এটা হচ্ছে বড়লোক হওয়ার ব্যবসা পড়াশোনা করানোর ব্যবসা না। বাচ্চাদের জেলখানায় আটকে তাদের উপর মানসিক টর্চারিং করা। অভিভাবকদের উদ্দেশ্য এক অভিজ্ঞ জন বলেন ছেলেদের হোস্টেলে দিয়ে লেখাপড়া করাবেন এটা ভুল। ছেলেদের হোস্টেলে কখন দিতে হয়, সেটা আগে জানা উচিত। সরকারি কলেজ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া প্রাইভেট দিলে এরকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এডুকেয়ার স্কুল এন্ড কলেজের মালিক রাসেল খুব খারাপ। স্টুডেন্টদের খুব টর্চার করে। যুবায়ের আল্লারদর্গার নাসির উদ্দিন বিশ্বাস গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মকলেছুর রহমান এর ভাতিজা, পল্লী চিকিৎসক মহাসিন আলির বড় ছেলে, সে কুষ্টিয়া এডুকেয়ার আইডিয়াল স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিলো। এক অভিভাবক বলেন,কুষ্টিয়া এডুকেয়ার স্কুলের আবাসিকে জুবাযের নামে নবম শ্রেণীর এক ছাত্রের আজ রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে! একটি তাজা প্রাণ এভাবে ঝরে যাবে এটা কেউই মেনে নিতে পারছে না। ঘটনাটি ঘিরে এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জন। এটি কি স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি এর পেছনে আছে অন্য কোনো কারণ । স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, ঘটনাটি নিয়ে সঠিক তদন্ত হওয়া জরুরি। কারণ সত্য জানা না গেলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আবারও ঘটতে পারে। অভিভাবক অনেকেই বলছেন এডুকেয়ার আবাসিকে শাসনের নামে শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতন করা হয়। আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্তা চাই প্রকৃত সত্য প্রকাশ হোক, আমরা চাই দোষী থাকলে তার বিচার হোক,একজন শিক্ষার্থীর জীবন মানে একটি পরিবারের স্বপ্নৃ সেই স্বপ্ন ভেঙে গেলে শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো সমাজই ব্যথিত হয়। ইতি পূর্বেও এ ধরনের একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে এডুকেয়ারের বিরুদ্ধে। এডুকেয়ারের শিক্ষার্থীদের অভিভাবক বৃন্দ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ দাবী করেছে।