খুলনায় চিকিৎসাধীন পাইকগাছায় লতা ইউনিয়নে ইউপি সদস্য ফেরদৌস ঢালীর বসত ঘরের তালা ভেঙে জিনিসপত্র, ভাঙচুর, ক্ষয়ক্ষতির বিষয় থানায় অভিযোগ হয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার লতার মুনকিয়া গ্রামে এ ঘটনায় ইউপি সদস্যের বোন আমেনা বেগম বাদি হয়ে থানায় অভিযোগ এবং ইউপি সদস্য থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন বান্দিকাটির মোঃ জিন্নত গাজী (৬২) ও তার ছেলে বিল্লাল গাজী (৪০)সহ অজ্ঞাত আরোও ৬/৭ জন।
জানাগেছে, অভিযুক্তরা ইউপি সদস্যের সম্পর্কে সাবেক স্ত্রীর বাবা ও ভাই। তবে সাংবাদিকের সাথে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তারা। ইউপি সদস্যের স্ত্রী নুপুর খাতুনকে ৯ এপ্রিল-২৬ খুলনা নোটারী পাবলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে তালাক দেন। লিখিত অভিযোগ ও জিডিতে উল্লেখ করেন, ইউপি সদস্য ফেরদৌস ঢালী গত ২ এপ্রিল খুলনার সিটি মেডিকেলে চোখ ও দাঁতের অপারেশন করে সেখানে চিকিৎসাধীন। এ সুযোগে পূর্বশত্রুতার জেরে বিবাদীসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিরা বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের বাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করে। এক পর্যায়ে তারা তালা ভেঙে ঘরে ঢ়ুকে জিনিসপত্র তছনছ করে স্বর্ণালংকার সহ নগদ টাকা লুট করার সময় নুরুন্নাহার নামে তাদের আর এক বোন প্রতিবাদ করলে তাকে মারপিট করতে উদাত্ত হয়। ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে স্থানীয় অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আমাদের কাছে মেম্বর ভালো মানুষ। কিন্তু সে খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেম্বারের স্ত্রী সহ স্বজনরা তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। শুনেছি এটা পারিবারিক বিষয় আবারো মিটমাট হয়ে যাবে বলে তারা মন্তব্য করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইউপি সদস্য ফেরদৌস ঢালী অভিযোগ করেন পূর্বশত্রুতার জেরে আমার ডিভোর্স দেওয়া স্ত্রীর বাবা-ভাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে। সে অনলাইনে থানায় জিডি করেছেন। শুক্রবার লুৎফর হাওলাদার নামে এক ব্যক্তি মুঠোফোনে জীবন নাশের হুমকি দিয়েছে বলে জানান। তবে, ভাংচুর ও ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্যের স্ত্রী জানান, আমি বাপের বাড়ি থেকে বাড়ি এসে দেখি ঘরে তালাবদ্ধ। থাকবো কোথাই, তাই আমার আত্মীয়সহ অনেকের সাহায্য নিয়ে ঘরে প্রবেশ করেছি। এ সম্বন্ধে থানার ওসি মোঃ গোলাম কিবরিয়া বলেন, ইউপি সদস্যের বোনের অভিযোগটি একজন পুলিশ অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।