প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা লড়াইয়ে বড় মোড় এনে দিল ম্যানচেস্টার সিটির জয়। আর্সেনালের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জিতে শিরোপার দৌড়ে নিজেদের এগিয়ে নিল সিটি। অনেকদিন পর গোল করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন আর্লিং হালান্ড, যা লিগের হিসাব-নিকাশে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।
এই ম্যাচটি ছিল দুই শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিরোপা নির্ধারণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে এমন এই লড়াইয়ে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় সিটিকে। প্রথম কয়েক মিনিটেই গোলের সম্ভাবনা তৈরি হলেও ভাগ্য সহায় হয়নি। তবে ম্যাচের গতি পাল্টে দেন রায়ান চেরকি। দারুণ একক প্রচেষ্টায় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
তবে লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি সিটি। গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি ডোনারুম্মার ভুলে সুযোগ পেয়ে সমতা ফেরান কাই হাভার্টজ। সহজ একটি বল নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে বিপাকে পড়েন ডোনারুম্মা, আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন আর্সেনালের এই ফরোয়ার্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আবার নিজেদের হাতে নেয় ম্যান সিটি। আক্রমণ চালিয়ে যেতে থাকে তারা। শুরুতে হালান্ড পোস্টে বল লাগালেও পরে আর ভুল করেননি। সুযোগ পেয়ে নিশ্চিতভাবে গোল করে দলকে আবারও এগিয়ে দেন এই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার। তার এই গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেয়।
ম্যাচ শেষে বিশ্লেষণে দেখা যায়, চেরকির পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। তার একক দক্ষতায় করা গোলটি ম্যাচের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। অন্যদিকে ডোনারুম্মার ভুল বড় ধরনের ধাক্কা দিলেও পরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি।
হালান্ডের পারফরম্যান্স নিয়েও আলোচনা চলছে। দীর্ঘদিন পর গোল পেলেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলের জন্য জয়ের গোল এনে দিয়েছেন তিনি। ম্যাচজুড়ে সক্রিয় ছিলেন এবং চাপ সৃষ্টি করেছেন প্রতিপক্ষের ডিফেন্সে।
এই জয়ের ফলে পয়েন্ট তালিকায় এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে ম্যান সিটির সামনে। বিশেষ করে পরবর্তী ম্যাচে জয় পেলে গোল ব্যবধানে শীর্ষে ওঠার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। ফলে শিরোপা লড়াই এখন আরও জমে উঠেছে।