সারিয়াকান্দিতে চার ইউপিতে নিজস্ব ভবন না থাকায় দেড় লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি

এফএনএস (ইমরান হোসাইন রুবেল; সারিয়াকান্দি, বগুড়া) :
| আপডেট: ৩ মে, ২০২৬, ০১:৩২ পিএম | প্রকাশ: ৩ মে, ২০২৬, ০১:৩১ পিএম
সারিয়াকান্দিতে চার ইউপিতে নিজস্ব ভবন না থাকায় দেড় লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি

সারিয়াকান্দি উপজেলায় ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব ভবন না থাকায়  দৈনন্দিন নাগরিক সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন যমুনা চরের অন্তত দেড় লক্ষাধিক মানুষ।

                   জানা যায়, চন্দনবাইশা ইউনিয়ন পরিষদের কাজ চলছে ঘুঘুমারী গ্রামে ভাড়া ঘরে। ১৬ বছর আগে যমুনার ভাঙ্গনে বিলীন হয় চন্দবাইশা ইউপি ভবন। তারপর থেকে ইউনিয়ন পরিষদের কোন ভবন নেই। তবে এই ইউনিয়নে পরিষদ ভবন স্থানীয়রা দেখলেও উপজেলার বোহাইল, কর্ণিবাড়ি ও  চালুয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ ভবন কোন কালই দেখেননি এলাকার প্রবীনরাও। এই চার  ইউনিয়নের ১১৭টি চর গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন নাগরিক সেবা নিতে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন পদে পদে।

         সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ১৪ কিলোমিটার দুরের নান্দিনার চর থেকে আসা জুলফিকার আলী কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের নাগরিক সেবা নিতে আসেন মথুরাপাড়া বাজারে। সেখানে একটি  ভাড়া ঘরে চলে কোন মতে পরিষদের কার্যক্রম।জুলফিকার আলী তার জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করতে জন্মনিবন্ধন নিতে আসলেও, ফেরত যেতে হয় তাকে।চেয়ারম্যান না থাকায় পরদিন আবারও  আসতে হবে তাকে  যমুনা নদী পার হয়ে।নদী পাড়ের ধলিকান্দি গ্রামের সোনাহার সরদার বলেন, বছরের পর বছর কষ্ট করে চেয়ারম্যানের কাছে আসা- যাওয়া করতে হয়। আবার চেয়ারম্যান থাকলেও বিদ্যুৎ সহ  ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলে একাধিক বার ঘুরতে হয় এসব অস্থায়ী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় । তবে তাদের সবারই দাবী প্রত্যেক ইউনিয়নের যেনো একটি নিজস্ব ভবন থাকে,আর সরকারের সকল সুবিধা সবাই নিতে পারেন।

চরের বোহাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান খান বলেন,এই পরিষদের আওতায় প্রায় ৩৫ হাজার  নাগরিক সেবা দিতে কষ্ট করতে হয়, অপরদিকে সেবা প্রার্থীরাও অবর্ননীয় দুর্ভোগে পড়তে হয়।লোকজনের  সুবিধার কথা চিন্তা করে, সারিয়াকান্দি পৌর এলাকা সহ তিন স্থানে সেবা কেন্দ্র খুলেছি এবং এই ইউনিয়ন দুই ভাগে বিভক্ত করার দাবি জানিয়য়েছি।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে