টঙ্গীতে জাবান হোটেলে কিশোরগ্যাংয়ের সন্ত্রাসী হামলা, আহত-৬

মোঃ জাকির হোসেন; বিশেষ প্রতিনিধি
| আপডেট: ১৪ মে, ২০২৬, ০৪:৫৩ পিএম | প্রকাশ: ১৪ মে, ২০২৬, ০৪:৫৩ পিএম
টঙ্গীতে জাবান হোটেলে কিশোরগ্যাংয়ের সন্ত্রাসী হামলা, আহত-৬
গাজীপুরের টঙ্গীতে কানকুন গ্রুপের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান জাবান হােটেল এন্ড বারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। এঘটনায় হোটেলের দুই কর্মচারি ও এক এলাকাবাসী এবং তিন কিশোরগ্যাং সদস্য আহত হয়েছেন। তারা হলেন- জাবান হোটেলের নিরাপত্তাকর্মী দারুল (২৮), কর্মচারী রাসেল (২৬) ও এলাকাবাসী শ্যামল (৪০)। অপরদিকে এলাকাবাসী ও হোটেলকর্মচারিদের পিটুনিতে টঙ্গীর কিশোরগ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজ (৩০), জাকির ও সানি আহত হন। বৃহস্পতিবার ভোরে টঙ্গীর আমতলী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পোঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। হোটেল কর্তৃপক্ষসূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোররাতে হোটেল বন্ধের প্রাক্কালে জোরপূর্বক হোটেলে প্রবেশের চেষ্টা করেন সোহেল, রুম্মান ও সানি নামের তিন ব্যক্তি। এসময় নিরাপত্তাকর্মী ও হোটেল কর্মচারিরা তাদের বাঁধা দিলে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তাদের ফোনে টঙ্গী পূর্ব আরিচপুর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কিশোরগ্যাং লিডার সবুজ ওরফে ভাদাইম্মা সবুজের নেতৃত্বে ১০/১৫ জন সন্ত্রাসী হোটেলের সামনে উপস্থিত হয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এসময় বেশ কয়েকটি ককটেল সদৃশ্য বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। এতে এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। পরে প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তাকর্মী ও কর্মচারিরা তাদের প্রতিরোধ করতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে গুরুতর আহত হন টঙ্গী পূর্ব আরিচপুর বৌবাজার এলাকার কিশোরগ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজ, তার সহযোগী জাকির ও ঢাকা উত্তরার কিশোরগ্যাং লিডার সানি। এসময় কিশোরগ্যাং সদস্যদের সুইচগিয়ারের আঘাতে হোটেল কর্মচারি রাসেল, ককটেলের আঘাতে এলাকাবাসী শ্যামল ও মারধরে হোটেলের সিকিউরিটি গার্ড দারুল আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ভাদাইম্মা সবুজ ও জাকিরকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠায়। এবিষয়ে জাবান হোটেলের মালিক সায়মন খান বলেন, উত্তরার কিশোরগ্যাং লিডার সানি এবং টঙ্গীর কিশোরগ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজের নেতৃত্বে ১০-১৫জন ভোররাতে হোটেলে হামলা চালায়। এসময় তারা আমার সিকিউরিটি গার্ড ও কর্মচারিদের মারধর করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। তাদের ছোড়া ককটেলের আঘাতে একজন এলাকাবাসীও আহত হয়েছেন। এবিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছিল। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। এঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে।
আপনার জেলার সংবাদ পড়তে