মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার নামে ভুয়া পদ পদবী ব্যবহার করে কতিপয় ব্যক্তি সংবাদপত্র ও সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন রকম বিবৃতি এবং অনুষ্ঠানের সংবাদ প্রেরণ করার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার নেতৃবৃন্দ।
এমইউজে খুলনার সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনা শ্রম অধিদপ্তরের একটি রেজিস্টার্ড সংগঠন। যার রেজিস্টার্ড নাম্বার (১০৬৭) এই সংগঠনের বৈধ কমিটি রয়েছে। ইউনিয়নের সদস্য রফিউল ইসলাম টুটুলের দায়েরকৃত একটি মামলা ঢাকার শ্রম আপীল ট্রাইব্যুনালে চলমান থাকাবস্থায় ইউনিয়নের সাধারণ সভায় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে’র নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সমঝোতার ভিত্তিতে মো. রাশিদুল ইসলাম ও আব্দুর রাজ্জাক রানার নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের কমিটি হওয়ায় মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন। যার আলোকে আদালতের পক্ষ থেকে উক্ত আবেদন গ্রহণ সাপেক্ষে যে আদেশ দেওয়া হয়েছে সেখানেও আবেদনের কারণে মামলাটি প্রত্যাহারের কথা উল্লেখ রয়েছে। যে কারণে এমইউজে’র বর্তমান কমিটির সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মুহাম্মদ নূরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা, সহ-সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম নুর, কোষাধ্যক্ষ রকিবুল ইসলাম মতি এবং নির্বাহী সদস্য মো. এরশাদ আলী ও কে এম জিয়াউস সাদাতই ইউনিয়নের বৈধ নেতা। পাশাপাশি বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে’র নির্বাচিত সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন বিএফইউজে’র প্রতিনিধি হিসেবে ইউনিয়নের সার্বিক দেখভাল করছেন। বিএফইউজে’র সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন ও মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরীসহ বর্তমান নির্বাহী কমিটিও মো. রাশিদুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক রানা ও রকিবুল ইসলাম মতির নেতৃত্বাধীন কমিটিকে অনুমোদন দিয়েছে। যে বা যারা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করছেন তাদের আইনগত কোন বৈধতা নেই। সুতরাং এরপর থেকে এমইউজের নাম ব্যবহার করে কোন অপপ্রচার চালানো হলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একইসাথে খুলনার গণমাধ্যমকর্মী এবং সংবাদপত্রের সম্পাদক-প্রকাশকদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে যাতে, ইউনিয়নের বৈধ কমিটির বাইরে অন্য কোন ব্যক্তির পাঠানো সংবাদ প্রকাশ না করা হয়।