মেহেরপুরে অনলাইন জুয়ার এজেন্টসহ গ্রেফতার ৪

এফএনএস (ফারুক আহমেদ; মেহেরপুর) :
| আপডেট: ১৬ মে, ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম | প্রকাশ: ১৬ মে, ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম
মেহেরপুরে অনলাইন জুয়ার এজেন্টসহ গ্রেফতার ৪

মেহেরপুরের অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট রাফসান জনি সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে মেহেরপুর ডিবি পুলিশ। গতকাল শুক্রবার মেহেরপুর সদর ও গাংনীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, রাফসান জনি রিপন (৩২), মোঃ ফাহাদ হাসান জুনায়েদ (১৯), মোঃ বায়েজিদ ডালিম (৩০) ও মোঃ রকিবুল ইসলাম (৩৫)। গতকাল শুক্রবার (১৫ মে ) জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে মেহেরপুর সদর ও গাংনী থানা এলাকায় রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী। লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতভোর ডিবির-ওসি মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে ডিবির একটি টিম মেহেরপুর সদর থানার চাঁদবিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে মোঃ বায়েজিদ ডালিম (৩০) কে গ্রেফতার করে। এ সময় তার নিকটে থাকা এধষধীু ত ঋড়ষফ৫ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।এরপর বায়েজিদের ফোন তল্লাশি করে ইরহধহপব এর মাধ্যমে অবৈধ ডলার কেনা বেচা এবং অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হিসাবে কাজ করার তথ্য পাওয়া যায়। তার ফোনে অনলাইন জুয়ার সাথে সম্পৃক্ত চারটি ই-মেইল অ্যাড্রেসের তথ্য পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুজিবনগরের পুরন্দরপুর গ্রাম হতে মোঃ রকিবুল ইসলাম (৩৫) কে গ্রেফতার করা হয়।এসময় তার নিকট থেকে একটি ঙচচঙ স্মার্ট ফোন ও একটি ঠওঠঙ ণ০৩ঃ স্মার্ট ফোন জব্দ করা হয়। রকিবুলের ফোন দুটি চেক করে অনলাইন জুয়া খেলার জন্য ইরহধহপব এর মাধ্যমে অবৈধ ডলার কেনা বেচা করা ও জুয়া খেলার তথ্য পাওয়া যায়।

লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গতকালই ডিবির আরেকটি টিম গাংনী উপজেলার গাড়াডোব এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাফসান জনি রিপনকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি জবফসর ঘড়ঃব ১৪ চৎড় মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তার মোবাইল ফোন প্রাথমিক যাচাই-বাছাই করে ৩৭টি মেইল আইডিসহ ২৯টি জুয়া খেলার অ্যাকাউন্ট পাওয়া যায়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমঝুপি এলাকা হতে মোঃ ফাহাদ হাসান জুনায়েদকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে একটি ঙঢ়ঢ়ড় অ৩৮ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উক্ত ফোনের মধ্যেও সাতটি ই-মেইল আইডিসহ অনলাইন জুয়া খেলার মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট পাওয়া যায়। লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারাসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের পর-্পর যোগসাজসে তাদের ব্যবহৃত নিজ নিজ মোবাইল ডিভাইস এবং নিজ ও অন্যের নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সাইবার স্পেসে প্রতারণামূলক কার্যক্রমসহ অনলাইন প্লাটফর্মে জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ ও জুয়া খেলা পরিচালনা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ব্যতিত মোবাইল ব্যাংকিং এবং ইরহধহপব অঢ়ঢ় ব্যবহার করে অবৈধ ই-ট্রানজেকশন করে থাকে।এতে গ্রামের বেকার যুব সমাজ ও সাধারণ মানুষ স্বল্প পরিশ্রমে অধিক লাভের আশায় সঞ্চয় হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ সর্বস্ব হারিয়ে বিষণ্নতায় পড়ে মাদকাসক্তসহ সামাজিক অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মেহেরপুরের গাংনী ও সদর থানায় সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬ এ পৃথক পৃথক মামলা দিয়ে আজ শনিবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে