ঈদের আর মাত্র ২ দিন বাকী

গরু ছাগলের হাট জমে উঠেছে, বিপাকে ক্রেতা-বিক্রেতারা

এফএনএস (মহিউদ্দিন লিটন; হাওর অঞ্চল, কিশোরগঞ্জ) :
| আপডেট: ২৬ মে, ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম | প্রকাশ: ২৬ মে, ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম
গরু ছাগলের হাট জমে উঠেছে, বিপাকে ক্রেতা-বিক্রেতারা

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, নিকলী, কুলিয়ারচরসহ আশেপাশের হাওর অঞ্চলের গরু ছাগলের হাট বাজারগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতারা গরু কেনা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। এরই সাথে এসব অঞ্চলে এবছর ইরি বোরো ধান কৃষকরা অতি বৃষ্টির কারণে অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। খড়ের অভাবের কারণে কৃষকরা এবছর তাদের লালন-পালন করা গবাদি পশু গুলো বিক্রি করে দিচ্ছেন। ঈদুল আযহার আর মাত্র ২ দিন বাকী রয়েছে। এরই মধ্যে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের বৃষ্টিতে ভিজে গরু, ছাগল ও মহিষ বিভিন্ন বাজারে গিয়ে কিনতে হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাজিতপুর পৌর শহরের বড় সড়কে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে কৃষকের লালন-পালন করা গরু গুলো বিক্রি করতে হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার গরু, ছাগল ও মহিষের দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় একটু দাম বেশি। তার পরেও ক্রেতা ও বিক্রেতারা কেউ বসে থাকেনি। এদিকে কুলিয়ারচর বাজারে ছোট ধরনের গরুর দাম একটু বেশি। মাঝারি ও বড় ধরনের গরু একটু দাম হলেও ছুটের সংখ্যা একটু বেশি। অন্যদিকে নিকলী উপজেলার সাজনপুর বাজারে গরুর হাটে যে গরুর অন্যান্য বছর ছুট ছিল ৩০০/- টাকা, এবছর ছুটের মূল্য হচ্ছে তার দ্বিগুণ। এর পরেও ক্রেতা ও বিক্রেতারা গরু ও ছাগল সবশেষে মহিষ বেশি ছুট দিয়ে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার মুক্তি জানান, গরুর ছুট বেশি হলে তিনি ব্যবস্থা নিবেন বলে উল্লেখ করেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে