কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, নিকলী, কুলিয়ারচরসহ আশেপাশের হাওর অঞ্চলের গরু ছাগলের হাট বাজারগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতারা গরু কেনা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। এরই সাথে এসব অঞ্চলে এবছর ইরি বোরো ধান কৃষকরা অতি বৃষ্টির কারণে অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। খড়ের অভাবের কারণে কৃষকরা এবছর তাদের লালন-পালন করা গবাদি পশু গুলো বিক্রি করে দিচ্ছেন। ঈদুল আযহার আর মাত্র ২ দিন বাকী রয়েছে। এরই মধ্যে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের বৃষ্টিতে ভিজে গরু, ছাগল ও মহিষ বিভিন্ন বাজারে গিয়ে কিনতে হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাজিতপুর পৌর শহরের বড় সড়কে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে কৃষকের লালন-পালন করা গরু গুলো বিক্রি করতে হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার গরু, ছাগল ও মহিষের দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় একটু দাম বেশি। তার পরেও ক্রেতা ও বিক্রেতারা কেউ বসে থাকেনি। এদিকে কুলিয়ারচর বাজারে ছোট ধরনের গরুর দাম একটু বেশি। মাঝারি ও বড় ধরনের গরু একটু দাম হলেও ছুটের সংখ্যা একটু বেশি। অন্যদিকে নিকলী উপজেলার সাজনপুর বাজারে গরুর হাটে যে গরুর অন্যান্য বছর ছুট ছিল ৩০০/- টাকা, এবছর ছুটের মূল্য হচ্ছে তার দ্বিগুণ। এর পরেও ক্রেতা ও বিক্রেতারা গরু ও ছাগল সবশেষে মহিষ বেশি ছুট দিয়ে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার মুক্তি জানান, গরুর ছুট বেশি হলে তিনি ব্যবস্থা নিবেন বলে উল্লেখ করেন।