বরিশাল নগরীতে কওমি মাদ্রাসার নার্সারিতে পড়ুয়া ছয় বছর বয়সের এক কন্যা শিশুকে ২০ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে গ্যারেজে আটকে রেখে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বখাটে মারুফ হোসেনকে মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ। এর আগে সোমবার (২৫ মে) বিকেলে এয়ারপোর্ট থানাধীন ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইছাকাঠী এলাকায় একটি অটোরিকশার গ্যারেজে এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারকৃত বখাটে মারুফ ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলার বাসিন্দা। সে বর্তমানে বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকায় বসবাস করছিল।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে আনুমানিক পাঁচটার দিকে ভুক্তভোগী শিশুটি তার চাচাতো বোন ও অন্যান্য শিশুদের সাথে খেলাধুলা করতে বাসা থেকে বের হয়। এ সময় অভিযুক্ত মারুফ হোসেন শিশুটিকে ডেকে নিয়ে ইছাকাঠি এলাকার একটি অটোরিকশার গ্যারেজের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে প্রথমে শিশুটিকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে টাকার প্রলোভনে গ্যারেজের ভেতর আটকে রেখে ধর্ষন চেষ্টা ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে শিশুটি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। এ সময় অভিযুক্ত মারুফ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে স্থানীয় জনতা তাকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার জানায়, ঘটনার পর শিশুটি কান্নাকাটি করতে করতে বাসায় ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় রাতে এয়ারপোর্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন শিশুর মা পারভীন বেগম। এয়ারপোর্ট থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, শিশু নির্যাতন ও ধর্ষন চেষ্টার ঘটনায় মামলা দায়েরের পর আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।