নওগাঁর মহাদেবপুরে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ তুলি আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় মূল আসামী গৃহবধূর স্বামী রতন হোসেনকে (২৫) থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। সে উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। রোববার (৩১ মে) বিকেলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মহাদেবপুর থানার এসআই আব্দুল মতিন অভিযান চালিয়ে উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের লক্ষ্ণীপুর গ্রামের একটি হাঁসের খামারে পালিয়ে থাকা অবস্থা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন। এই মামলায় অপর তিন আসামী গৃহবধূর শ্বাশুড়ি জহুরা বেগম, ভাসুর সাগর ও শহীদুল পলাতক রয়েছে। মামলার বাদী গৃহবধূর মামা মিলন হোসেন অভিযোগ করেন যে, তিন বছর আগে নওগাঁ সদর উপজেলার বক্তারপুর গ্রামের সোহেল রানার মেয়ে রেহেনা আক্তার তুলির সঙ্গে রতন হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে হুসাইন নামে দ্ইু বছর বয়সের একটা ছেলে রয়েছে। বিয়ের পর থেকে মোটা অংকের যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করে আসছিল তার স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা। তারা ইতোমধ্যে যৌতুক বাবদ ৮০ হাজার টাকা দেন। আরো টাকা না পেয়ে গত ২১ মে দিবাগত রাতে তুলিকে বেদম মারপিট করা হয়। রাতেই তুলি গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।
মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওমর ফারুক জানান, পরদিন থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এব্যাপারে থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা এন্ট্রি করা হয়। গ্রেপ্তার রতনকে সোমবার দুপুরে নওগাঁ কোর্টে পাঠানো হয় বলেও জানান তিনি।