জামায়াতে ইসলামী কোনো ভূঁইফোড় সংগঠন নয়: এমপি রাশেদুল

এফএনএস (শাকিল আহমেদ শাহরিয়ার; শেরপুর) : | প্রকাশ: ৩ জুন, ২০২৬, ০৭:২৭ পিএম
জামায়াতে ইসলামী কোনো ভূঁইফোড় সংগঠন নয়: এমপি রাশেদুল

শেরপুর-১ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য হাফেজ মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোনো ভূঁইফোড় সংগঠন নয়। জামায়াতে ইসলামী একটি নৈতিক সংগঠন। যারা এ দেশের মানুষের উন্নতি ও নৈতিকভাবে গড়ার জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এই সরকার সবসময় নানা কথাবার্তা বলে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা জামায়াত শিবিরকে বলেন ‘গুপ্ত’। অথচ তাদের দলেই ‘গুপ্ত’র ছড়াছড়ি। ইসলামী ব্যাংক প্রসঙ্গে আমাদের নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় নানাভাবে কটাক্ষ করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা বলতে চাই, জামায়াতে ইসলামী দেশের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান রক্ষাসহ ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় তাঁদের সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করতে কখনোই পিছপা হবে না। ইসলামী ব্যাংকে আবারও এস আলমসহ তাদের প্রেতাত্মাদের ফিরিয়ে আনার সকল ষড়যন্ত্র বানচাল করে দেওয়া হবে। তিনি মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে শেরপুর পৌর টাউন হলে সদর উপজেলা ও শহর জামায়াত আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দানকালে এসব কথা বলেন।

শেরপুর শহর শাখার আমীর মাওলানা নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আমীর মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা মজলিশে শুরার সদস্য ডা. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন, মাওলানা আব্দুল আউয়াল, সদর আমীর মাওলানা আতাউর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা মো. নূরে আলম সিদ্দিকী, ডা. মো. হাছানুজ্জামান হাছান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা সেক্রেটারী মাওলানা মো. আব্দুস সোবহান।

প্রধান অতিথি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম বলেন, এই সরকারের চোখের সামনে বিগত পতিত ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ সরকারের দোসররা নানাভাবে মিছিল মিটিং করলেও এ বিষয় নিয়ে তাদের কোন রকম দৃষ্টি নাই। এতে বোঝাই যাচ্ছে এই সরকার আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। সবাইকে চোখ কান খোলা রেখে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শেরপুরে আর চাঁদাবাজি ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম রাখতে দেওয়া হবে না। আমরা কোন দলের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করিনা, আমরা বিদ্বেষ পোষণ করি সকল প্রকার অন্যায় অবিচারের। এই সরকার বলছে কোনোরকম তেল সংকট নেই অথচ তেলের দাম বৃদ্ধি করে জাতির সাথে তামাশা শুরু করেছে। শুধু তেলের দাম নয় আজ নিত্যপণ্যসহ সকল পণ্যের দামই বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে জনগণের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। আপনারা ঋণ খেলাপীকে দিয়েছেন ব্যাংকের দায়িত্ব, ঋণ খেলাপীকে বানিয়েছেন মন্ত্রী আর ঋণ খেলাপীকেই দিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ। এভাবে একটা দেশ কখনোই উন্নয়ন, শান্তি আর গণতন্ত্রের পথে এগুতে পারে না।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে