বাউফলে জামায়াত নেতা আটক, থানায় হস্তান্তরের পরই মুক্তি

এফএনএস (কাজল বরণ দাস; পটুয়াখালী) :
| আপডেট: ৮ জুন, ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম | প্রকাশ: ৮ জুন, ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম
বাউফলে জামায়াত নেতা আটক, থানায় হস্তান্তরের পরই মুক্তি

বাউফলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর জাল করে সরকারি খাস জমি চাষাবাদের অনুমতির ভুয়া কাগজ তৈরির অভিযোগে উঠেছে সাইফুল শরীফ (৪০) নামে এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার দুপুর ১টার দিকে এসিল্যান্ড জামায়াত নেতা (সাইফুল শরীফ)কে আটক করে থানায় হস্তান্তর করলে পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সাইফুল শরীফ উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের রায়সাহেব গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠন হিসেবে পরিচিত। এসিল্যান্ড সোহাগ মিলু জানান, চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের আলমগীর নামের এক ব্যক্তির মালিকানাধীন জমি এবং সরকারি খাস খতিয়ানের মোট ৯০ একর জমি চাষাবাদের অনুমতি পেয়েছেন বলে দাবি করে স্থানীয়দের কাছে একটি অনুমতিপত্র প্রদর্শন করেন সাইফুল শরীফ। সম্প্রতি ওই অনুমতিপত্রের একটি কপি তার নজরে এলে তিনি বিষয়টি যাচাই করেন। যাচাই-বাছাইয়ে দেখা যায়, অনুমতিপত্রে ব্যবহৃত তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর আমার টিম তাকে আটক করে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যবিধি অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তি দায় স্বীকার না করায় তাৎক্ষণিকভাবে দণ্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে নিয়মিত মামলা গ্রহণের জন্য তাকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।”

তবে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা সাইফুল শরীফ বলেন, আমি জাল জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত না বলেই আমার বিরুদ্ধে কোন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। থানায় কেন আপনাকে নিয়ে আসা হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি উভয় পক্ষের ভুল বুঝাবুঝির কারণে এমনটি হয়েছে।   এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমার জানা নেই, খোঁজ নিয়ে জানতে হবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে