খুলনা সিটি কর্পোরেশন আইন সহকারী কর্তৃক কেসিসি এর আইন চরমভাবে লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কেসিসি’র প্রশাসক বরাবর নগরীর ১নং ওয়ার্ডের সাহেব পাড়া এলাকাবাসীর স্বাক্ষরকৃত লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। প্রতিকারের দাবিতে এ লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, খুলনা সিটি কর্পোরেশন অধীনে নির্মিত ১নং ওয়ার্ডের সাহেব পাড়ার রাস্তাটি যশোর মহাসড়কের সাথে সংযোগ না থাকার কারনে জনসাধারণের চলাচলের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন যাবত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিলো। এরুপ পরিস্থিতিতে কেসিসি এর অর্থায়নে যশোর মহাসড়ক থেকে একটি রাস্তা নির্মান করে সাহেব পাড়া রাস্তার সাথে সংযোগস্থাপন করে দেওয়া হয়। যার ফলে এলাকাবাসীর চলাচলের ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হয়। সম্প্রতি এলাকায় বসবাসকারী সিটি কর্পোরেশনের আইন সহকারী কর্মরত শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে সেখ মাসুদ করিম, মো. নজিবর রহমান, মো. জামশেদ আলমসহ কয়েকজন একত্রিত হয়ে সংযোগ সড়কের উপর পাকা দেওয়াল নির্মান করে স্থায়ীভাবে রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছেন। যা সিটি কর্পোরেশন আইনের গুরুতর লঙ্ঘণ হয়েছে বলে মনে করেছেন অভিযোগকারীরা। এমনকি সিটি কর্পোরেশনের একজন আইন সহকারী সিটি কর্পোরেশনের রাস্তায় পাকা দেওয়াল নির্মাণের বিষয়টি অনিয়ম। উক্ত দেওয়াল নির্মাণের সময় এলাকাবাসী বাঁধা সৃষ্টি করলে তাদেরকে ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার হুমকিও প্রদান করা হয়। বিষয়টি তদন্ত করে আইন সহকারী ও তার সহযোগী দ্বায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকাবাসীর চলাচলের জন্য দেওয়ালটি অপসারণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী অভিযোগকারীরা।
তবে রাস্তা আটকানোর অভিযোগ অস্বীকার করে কেসিসি’র আইন সহকারী শরিফুল ইসলাম বলেন, এটি মূলত একটি আবাসিক এলাকা। আর রাস্তাটিও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে। যার পিছনে বস্তি রয়েছে। যেখানে মাদকসেবি ও সন্ত্রাসীদের যাতায়াত রয়েছে। ফলে আবাসিকের নিরাপত্তার জন্য পিছনে দেওয়াল দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে। এটি কেসিসির কোন রাস্তা নয়। অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।