রাজনীতির পথ কখনোই মসৃণ নয়। ত্যাগ, সংগ্রাম, প্রতিকূলতা আর মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকারএসবের সমন্বয়েই একজন রাজনৈতিক কর্মী ধীরে ধীরে নেতৃত্বের আসনে পৌঁছান। নীলফামারীর প্রবীণ রাজনীতিবিদ আব্দুল মজিদের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা সেই সংগ্রামেরই এক বাস্তব প্রতিচ্ছবি। ছাত্রজীবন থেকেই জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন তিনি। সময়ের পরিক্রমায় স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখ, অধিকার আদায় এবং সামাজিক বিভিন্ন ইস্যুতে সোচ্চার ভূমিকা রেখে নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করেন। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কারণে তিনি জেলার পরিচিত মুখে পরিণত হন।
রাজনৈতিক জীবনে নানা চড়াই-উতরাই, মতপার্থক্য ও সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও তিনি জনসংযোগ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখেন। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)র নীলফামারী জেলা আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করে জেলার সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। দলীয় সাংগঠনিক বিষয়ে তাকে ঘিরে আলোচনা ও সিদ্ধান্তও এসেছে, যা তার রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন অধ্যায়ের অংশ হয়ে রয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আব্দুল মজিদের শক্তি হলো সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এবং মাঠভিত্তিক রাজনীতির অভিজ্ঞতা। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের আস্থা অর্জনই একজন রাজনীতিকের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাইতো তাকে সংগলসী ইউনিয়নবাসী বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছিলেন।
বর্তমান প্রজন্মের কাছে তার রাজনৈতিক জীবন একটি শিক্ষা সংগঠন, ধৈর্য, ত্যাগ এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতাই একজন নেতাকে প্রতিষ্ঠিত করে। নীলফামারীর রাজনৈতিক অঙ্গনে আব্দুল মজিদের দীর্ঘ পথচলা তাই শুধু একজন নেতার ব্যক্তিগত ইতিহাস নয়; এটি জেলার রাজনৈতিক পরিবর্তন ও সংগ্রামেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। নীলফামারীর এক প্রবীণ রাজনীতিবিদ বলেন,আব্দুল মজিদ একজন ভাল সংগঠক। তিনি জীবনের পুরো সময়টা জাতীয়তাবাদী দল ( বিএনপি)র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নীলফামারী জেলা শাখার তিনি আহবায়ক। তার নের্তৃত্বে নীলফামারীতে এগিয়ে চলছে এনসিপি।