আমার স্বামী অনেক দিন ধরেই ইয়াবা ব্যবসা করে। নিষেধ করেও শুনেনি, ওই পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়ে একাধিকবার বাবার বাড়ি চলে গেছি। ছেলে-মেয়ের কথা চিন্তা করে সংসারে ফিরে আসলেও স্বামী ভাল পথে ফেরেনি। মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টতার কারনে নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে। কথাগুলো আক্ষেপ করে বলছিলেন যশোরের মণিরামপুর পৌর এলাকার জয়নগর গ্রামে ধর্ষণের দায়ে আটক সমির মোড়লের স্ত্রী আসমা খাতুন। মাদক কারবারি হওয়ায় অনেক আগে থেকেই গ্রামবাসি ফুঁসে ছিল। তাকে নিবৃত করার চেষ্টাও করা হয়েছে। তার উপর ধর্ষণের দায়ে আটক হওয়ায় রোববার সকাল ৯টার দিকে সমির মোড়ল ও সেলিমের বাড়ি ও দোকান ঘর ভাংচুর চালায় বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসি। সমির ওই গ্রামের নওশের আলীর ছেলে। শনিবার ভোরে পৌর শহরে এক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনির ছাত্রী সহপাঠী রাফিদের সাথে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় জোড়া পুকুর নামক স্থানে তাদের গতিরোধ করে খর্দগাংড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আবু জাফর, জয়নগর গ্রামের করিম হোসেন খোকনের ছেলে মোড়ল। এ সময় রাফিদকে মারধর করে তাড়িয়ে দিয়ে জোড়া পুকুরের পাশে নিয়ে সেলিম হোসেন ও সমিরের সহযোগিতায় আবু জাফর ওই শিক্ষার্থীর উপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। ঘটনাটি বাড়ি গিয়ে স্বজনদের কাছে জানালে ওইদিন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ভাই রাহুল বাদি হয়ে তিন জনের নামে থানায় মামলা করেন।
থানার ওসি আবু সাঈদ জানান, ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্নে ওই শিক্ষার্থীকে যশোর মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একজন আটক আছে। বাকী দুইজনকে আটকের জন্য অভিযান চলছে।