কিশোরগঞ্জের ৬টি উপজেলা হাওর অধ্যুষিত উপজেলা। এইসব উপজেলার মধ্যে বাজিতপুর, নিকলী, কুলিয়ারচর উপজেলায় গত কয়েক মাস ধরে স্টিল বডি নৌকা দিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় রমরমা ব্যবসা চলছে। কৃষি জমির মধ্যে এসব বালুর পানি পড়ে অযোগ্য হয়ে পড়ছে বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। এসব ব্যবসায়ীরা যখন যে সরকার আসে তখন তারা বালু ব্যবসা করার জন্য নিজের রোপ বদলিয়ে নেয়। তারা প্রশাসন কে ম্যানেজ করে দীর্ঘ মেয়াদী বালু ব্যবসা করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, বিভিন্ন নদী থেকে দিনের বদলে রাত্রে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করে নদীর গতি পথ যেমন ভাংছে তেমনি ভাবে কৃষকের জমি নদীতে ভেঙ্গে যাচ্ছে বলে এলাকায় অভিযোগ উঠেছে। কেউ কেউ আবার প্রশাসনের নিকট অভিযোগ দিলেও কোনো কাজ হচ্ছে না বলে তাদের অভিযোগ। গত কাল বিভিন্ন উপজেলায় সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে স্টিল বডি নৌকা দিয়ে ঐসব ব্রিজের এপার উপার যেন স্টিল বডি নৌকার বালুর মেলা। রাস্তা কেটে তারা পাইপ দিয়ে বালু নিচ্ছে আর কৃষকের জমি নষ্ট করছে। এসব উপজেলার প্রশাসন কে ম্যানেজ করেই তারা এসব ব্যবসা করছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি। এর আগেও এ বিষয়ে বিভিন্ন গণ মাধ্যম কর্মীরা বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ ও সোসাল মিডিয়ায় বালুর বিষয়ে সচিত্র প্রতিবেদন করলেও কে কার কথা শোনে। প্রশাসন ও এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় জণগণ্যের মধ্যেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।