রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স অডিটোরিয়ামে মাসিক কল্যাণ সভা মঙ্গলবার দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আরপিএমপি পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ । বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) নরেশ চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ( ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তোফায়েল আহমেদ, উপ-পুলিশ কমিশনার( সদরদপ্তর ও প্রশাসন) হাবিবুর রহমান, ডিসি (ক্রাইম) মোঃ মাহফুজুর রহমান, ডিসি(এস্টেট এন্ড ডেভেলপমেন্ট) মোঃ আবদুর রহমান, ডিসি (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী, ডিসি( ট্রাফিক) মারুফ আহমেদ,
এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যবৃন্দ সভায় অংশগ্রহণ করেন।
ইউনিটের কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ তাঁদের নিজ নিজ মতামত, দায়িত্ব পালনে চ্যালেঞ্জ এবং ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যাসমূহ উপস্থাপন করেন।
আরপিএমপি পুলিশ কমিশনার কল্যাণ সভায় বলেন, "স্বাস্থ্য, শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও সততাই হোক প্রতিটি পুলিশ সদস্যের অঙ্গীকার।"
তিনি বলেন, একজন পুলিশ সদস্যের সুস্বাস্থ্য ও মানসিক সুস্থতা পেশাগত দক্ষতার অন্যতম ভিত্তি। তাই প্রত্যেক সদস্যকে স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন, নিয়মিত পিটি-প্যারেড এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।
মাদক সংক্রান্ত কোনো কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার সুযোগ নেই। এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত যে কারও বিরুদ্ধে আইন ও বিভাগীয় বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা, ধৈর্য ও জনবান্ধব আচরণ বজায় রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় তিনি মোবাইল ফোন ব্যবহারে সংযম ও সতর্কতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, অনলাইন জুয়া, অনৈতিক ডিজিটাল কার্যক্রম এবং দায়িত্ব পালনের সময় অপ্রয়োজনীয় মোবাইল ব্যবহার থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে।
পুলিশ সদস্যদের মানসিক সুস্থতার বিষয়ে তিনি বলেন, সহকর্মীদের প্রতি আন্তরিকতা ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে মেন্টাল সাপোর্ট প্রদান করতে হবে, যাতে কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় থাকে।
মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত সকল পুলিশ সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে আরপিএমপি পুলিশ কল্যাণ ফান্ড পুনরায় চালু করতে পুলিশ কমিশনার সম্মতি জানান।