রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় স্থানীয় মসজিদে আরবি পড়া শেষে বাড়ি ফেরার পথে ১৭ বছর বয়সী এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে চারঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার শ্রীখণ্ডী গ্রামের বাসিন্দা ওই তরুণী স্থানীয় মসজিদে আরবি পড়া শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে একই গ্রামের এক যুবক কিছু একটা দেখানোর নাম করে তাকে পাশের একটি আমবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে আরও দুই যুবক অপেক্ষা করছিল। তিনজন মিলে তরুণীকে পার্শ্ববর্তী নির্জন পাট ক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জোরপূর্বক সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়।
অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার শ্রীখন্ডী এলাকার আনোয়ার হোসেনর ছেলে লিমন ইসলাম (২২), জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে শিটু আলম (১৮) এবং সাবিবুর রহমানের ছেলে শিবা রহমান (১৬)।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণীর কিছুদিন আগে বাল্যবিবাহ হয়। তার স্বামী ঢাকায় পোশাক কারখানায় (গার্মেন্টস) কর্মরত থাকায় তিনি বর্তমানে শ্রীখণ্ডী গ্রামে নিজ মায়ের সাথেই বসবাস করছিলেন। ঘটনার পর ভুক্তভোগী বাড়িতে ফিরে স্বজনদের বিস্তারিত জানালে পরিবারের সদস্যরা বুধবার সকালে প্রথমে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে চারঘাট থানায় এসে অভিযুক্ত ৩ জনের নাম উল্লেখ করে লিখিত এজাহার জমা দেন। এ বিষয়ে চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।