লক্ষ্ণীপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এক আইনজীবীর বিরুদ্ধে বিএনপি কর্মীকে মারধর ও তার মোটরসাইকেল এবং মোবাইল ফোন ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. শরীফ সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। আহত শরীফকে চিকিৎসার জন্য লক্ষ্ণীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভুক্তভোগী মো. শরীফ সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের বিনোদধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং বিএনপির সক্রিয় কর্মী। অভিযুক্ত লক্ষ্ণীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী আনিসুল ইসলাম একই এলাকার বাসিন্দা।
অভিযোগে শরীফ বলেন, আনিসুল ইসলামের সঙ্গে তাদের পৈতৃক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে এবং এ সংক্রান্ত একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন। ঘটনার দিন মাছের খাবার কিনতে মোটরসাইকেলে ভবানীগঞ্জ চৌরাস্তা এলাকায় গেলে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে আনিসুল তার পথরোধ করেন। এ সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই তুই ফ্যাসিস্ট বলে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি দেওয়া হয়। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আহত হন। এ সময় তার মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোনও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ভুক্তভোগী মো. শরীফ সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের বিনোদধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং বিএনপির সক্রিয় কর্মী। অভিযুক্ত লক্ষ্ণীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী আনিসুল ইসলাম একই এলাকার বাসিন্দা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আইনজীবী আনিসুল ইসলাম বলেন, শরীফের সঙ্গে তার দেখা হয়েছে, তবে মারধরের ঘটনা ঘটেনি। একটি পক্ষ তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
লক্ষ্ণীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মনিরুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে সমিতির পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। লক্ষ্ণীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, মারধরের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।