“জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান : টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ- ২০২৬ উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগষ্ট) দুপুরে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাস্তবায়নে র্যালি শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় মেডিকেল অফিসার, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা - কর্মচারীসহ উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ দেলোয়ার হোসেন তার বক্তব্যে মাতৃদুগ্ধের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, একটি বাচ্চা জন্ম নেওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যদি সে দুধ না পায় বা দুধ না খায় এতে ভয়ের কিছু নেই। নবজাতক ও মায়েদের জন্য বুকের দুধের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং এর গুরুত্ব নিয়ে গণসচেতনতা বাড়াতে হবে। শিশুর জন্মের পর প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যেই যদি তাকে মায়ের দুধ খাওয়ানো হয়, তবে মৃত্যুঝুঁকি ৩১ শতাংশ কমে যায়।
আর ছয় মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র মায়ের দুধ (এক ফোঁটা পানিও নয়) খাওয়ানো হলে শিশুমৃত্যুর হার আরও ১৩ শতাংশ হ্রাস পায়। শিশুর প্রথম খাবার হিসেবে ‘শালদুধ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু পুষ্টিকরই নয় বরং শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং প্রথম টিকার মতো কাজ করে। এই সময়টিতে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশে মায়ের দুধ অপরিহার্য।