ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরাভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ‘অটো ফাইন সিস্টেম’। মহাসড়কের ২৫০ কিলোমিটার অংশে যানবাহনের চলাচল নজরদারির জন্য এক হাজারের বেশি এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ প্রান্তের কন্ট্রোল রোম এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
নতুন এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, অবৈধ পার্কিং, উল্টোপথে যানবাহন চলাচলসহ বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করা হবে। পরে সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে মামলার তথ্য ও জরিমানার বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হবে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে প্রায় ১৩ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে পরীক্ষামূলক ভাবে বালুয়াকান্দি এলাকায়ও এ ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু করা হয়েছে। তবে গজারিয়ার এই অংশে আরো কয়েকটি স্থানে এআই ক্যামেরা বসানো হবে বলে জানিয়েছেন গজারিয়া হাই ওয়ে ওসি ওসি শাহ্ কামাল আকন্দ।
স্থানীয় বাসিন্দা, গাড়ির মালিক ও চালকরা জানান, শুধু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক নয়, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কসহ দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কেও এ প্রযুক্তির আওতা বাড়ানো প্রয়োজন। এতে যানবাহনের চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং উল্টোপথে গাড়ি চালানোর প্রবণতা কমবে।
তাদের মতে, এআই ক্যামেরার মাধ্যমে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের দ্রুত শনাক্ত ও জরিমানার আওতায় আনা হলে চালকদের মধ্যে বেপরোয়া গাড়ি চালানো ও একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতার প্রবণতাও কমবে। ফলে মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমানোর পাশাপাশি যান চলাচলে আরও শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।