তারাগঞ্জে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্যের অপপ্রচার

এফএনএস (প্রিয় তুল্লা সুমন; তারাগঞ্জ, রংপুর) : | প্রকাশ: ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ০১:২৩ পিএম
তারাগঞ্জে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্যের অপপ্রচার

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের টানা চার বারের সফল ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান কুমারেশ রায়ের বিরুদ্ধে স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) মজুমদার রহমানের নেতৃত্বে কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার এবং ‘মব’ তৈরির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর দাবি, কুমারেশ রায় একজন স্বচ্ছ, সহজ-সরল ও উন্নয়নমুখী জনপ্রতিনিধি, আর মজুমদার রহমান একজন চতুর প্রকৃতির মানুষ। একজন সফল চেয়ারম্যানকে অযাচিতভাবে হুমকি দেয়া ও অপপ্রচার চালানোর দায়ে মজুমদার রহমানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবি জানানো হয়েছে। সরেজমিনে যেয়ে অনেকেই জানিয়েছেন, কুমারেশ রায় দীর্ঘ সময় ধরে হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে অত্যন্ত সততা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ইউনিয়নের মানুষের বিপদে-আপদে তিনি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তার শাসনামলে ইউনিয়নে দৃশ্যমান ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, যা জনসাধারণের কাছে তাকে অতুলনীয় জনপ্রিয় করে তুলেছে। এলাকাবাসী তাকে একজন আদর্শ ও সফল চেয়ারম্যান হিসেবে গণ্য করেন। অন্যদিকে, ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মজুমদার রহমানের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের নানা অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ ওঠেছে, মজুমদার রহমান নিজের স্বার্থসিদ্ধি করতে না পেরে দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান কুমারেশ রায়ের প্রতি ক্ষুব্ধ। সম্প্রতি, তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লাইভে এসে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও ভিত্তিহীন বক্তব্য প্রদান করেন এবং তাঁকে হেনস্তা ও হুমকি দেন। এমনকি, গত সোমবার তিনি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে একটি ‘মানববন্ধন’ কর্মসূচির ডাক দেন। কিন্তু এই বিতর্কিত মানববন্ধনে সাধারণ জনগণ বা সচেতন মহলের কেউ অংশ নেয়নি; বরং তা কেবল মজুমদার ও তার ছেলের কর্মসূচিতে রূপ নেয়। মজুমদার রহমানের এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ ইউনিয়নবাসী। তারা জানিয়েছেন, একজন স্বনামধন্য ও সফল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অশালীন অপপ্রচার চালিয়ে ইউনিয়নবাসীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। একজন সহজ-সরল জনপ্রতিনিধিকে হুমকি দেয়া গর্হিত অপরাধ। ইউনিয়নের বিশিষ্টজন ও সচেতন নাগরিকরা জানিয়েছেন, কুমারেশ রায় একজন সফল জনপ্রতিনিধি। তাঁর বিরুদ্ধে এমন ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না। মজুমদার রহমান একজন ‘ঠকবাজ ও বেইমান’ হিসেবে পরিচিত। তিনি নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে একজন সফল চেয়ারম্যানকে হেয় প্রতিপন্ন করতে চাইছেন। হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অবিলম্বে ইউপি সদস্য মজুমদার রহমানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাঁকে গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য মজুমদার রহমান দাবি করেন, তিনি কোনো বেইমানি বা ঠকবাজি করেননি এবং তাঁর বক্তব্য সত্য। তবে এঘটনার ভুক্তভোগী চেয়ারম্যান কুমারেশ রায় জানান, “জনসাধারণের ভালোবাসায় আমি চারবার নির্বাচিত হয়েছি। আমার জনপ্রিয়তা দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে মজুমদার আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।”তারাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, ইউপি সদস্য মজুমদার রহমানের বিরুদ্ধে লেখিত কোনো অভিযোগ পাই নাই পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে