মেধা ও যোগ্যতার প্রকৃত মূল্যায়ন করতে হলে মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি নিজের ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব উপলব্ধি করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর প্রেসক্লাবে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখা আয়োজিত এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শতাধিক কৃতি শিক্ষার্থীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, মানুষের মেধা ও জীবনের বৈচিত্র্য আল্লাহর ইচ্ছারই বহিঃপ্রকাশ। মুসলমানদের নিজেদের ধর্মীয় পরিচয় ও মূল্যবোধ নিয়ে কখনো সংকোচবোধ করা উচিত নয়। পোশাক, আচার-আচরণ ও জীবনযাপনে ইসলামী সুন্নাহ অনুসরণ করে সমাজে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে হবে।
ভবিষ্যতের কর্ণধার তরুণ প্রজন্মকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, তোমরা আগামী দিনে ম্যাজিস্ট্রেট, ডিসি, এসপি কিংবা সচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করতে পারো। তবে যে পেশা বা অবস্থানেই যাও না কেন, ইসলামকে বাদ দিয়ে নয়-বরং ইসলামী আদর্শ ও নীতিকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। ইসলামের ভেতরেই নীতি, নৈতিকতা, চরিত্র ও মানবসেবার শাশ্বত শিক্ষা রয়েছে। সমাজ থেকে সংকট দূর করতে নতুন প্রজন্মকে মেধার পাশাপাশি নৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি ডি.এম ফয়সালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মাদ ইবরাহীম খলীল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ জয়নাল আবেদিন, জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মাকসুদুর রহমান, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নুর উদ্দিন খানসহ স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা কৃতি শিক্ষার্থী শতাধিক জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।