রাজশাহীর বাঘায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে হাফিজুর রহমান নামের এক যুবককে আপত্তিকর অবস্থায় পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। তাকে প্রথমে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থা বেগদিক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ট করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
হাফিজুর রহমান উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের কেশবপুর হাজামপাড়া গ্রামের আবদুল লতিফ ফকিকের ছেলে। শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে হাফিজুর রহমানের সম্পর্ক রয়েছে, এমন আলোচনা এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে ছিল। শুক্রবার রাতে ওই নারীর ঘরে হাফিজুর অবস্থান করছেন, এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার কতিপয় ব্যক্তি সেখানে যান। পরে দু’জনকে মারধর করা হয়। মারখেয়ে জানালা ভেঙ্গে পালানোর সময় হাফিজুরের টিনের সাথে ধাক্কা খেয়ে তার ডান হাত কেটে গুরুত্ব আহত হন। তাঁর স্বজনেরা এসে তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর হাফিজুর রহমানের বাড়িতে আগুন দিয়ে জালিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বাঘা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বজলুর রশিদ বলেন, এলাকাবাসীর কাছ থেকে তাঁরা জানতে পেরেছেন, ওই গৃহবধূর স্বামী বিদেশে থাকেন। হাফিজুর রাজশাহী শহরে একটা ক্লিনিকে চাকরি করেন এবং মাঝে মধ্যে বাড়িতে আসেন। শুক্রবার রাতে দু’জনকে একই ঘরে অবস্থান করতে দেখার স্থানীয়রা তাকে মারপিট করে ঘরে আগুন দিয়ে জালিয়ে দিয়েছে। এরপর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীকেও খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।