খাজরার অন্ধ শান্তি রানীর আকুতি একখানা বসবাসের ঘর

এফএনএস (জি.এম. মুজিবুর রহমান; আশাশুনি, সাতক্ষীরা) : | প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:৪৬ পিএম
খাজরার অন্ধ শান্তি রানীর আকুতি একখানা বসবাসের ঘর

কথা ছিল দু’চোখের আলোতে স্বামী, সন্তান, নাতি, পুতি সাথে নিয়ে পৃথিবীর আলো দেখবেন শান্তি রানী সানা। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিণতির শিকার তিনি। অভিশপ্ত জীবনের গ্লানি নিয়ে তিনি অন্ধত্বকে বরণ করে সমাজে বেড়ে উঠেছেন। 

আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের খালিয়া গ্রামের মৃত মনোহর হালদারের কন্যা শান্তি রানী সানা (৫৫)। স্বামী মারা গেছেন অনেক দিন আগে। আছে ৩পুত্র সন্তান। তারাও অভাবের সাথে সংগ্রাম করছে প্রতিদিন। স্বামীর সংসার, ছেলেমেয়েদের দেখভালসহ সব কিছুই করেছেন দু’চোখের আলো ছাড়াই। বাল্য ও কৈশোর পেরিয়ে শান্তি সানা এখন জীবনের শেষ প্রান্তে। চিরচেনা জরাজীর্ন ছাপড়ী ঘরে কোন রকম বেঁচে আছেন শান্তি রানী সানা। 

শান্তি রানী সানার জীবনের গল্প খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, জন্মের ৩ মাসের মাথায় দূরারোগ্যে ব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে দু’চোখের আলো চিরতরে নিভে যায়। অভাগী শান্তি রানী সানার স্বামী ৩পুত্র রেখে মারা যান। প্রতিবেশীরা জানান, শান্তি রানী সানা অন্ধ হয়েও পরের বাড়িতে শ্রমিকের কাজ করে খুব কষ্টে তিন পুত্রকে মানুষ করেন। এখন বয়সের ভারে আর মানুষের বাড়িতে কাজও করতে পারেন না। 

অসহায় অন্ধ শান্তি রানীর সরকারি সুবিধা বলতে আছে একটি প্রতিবন্ধি ভাতার কার্ড। সেই প্রতিবন্ধি ভাতার কার্ডের টাকা তুলে ঔষধসহ কিছু কেনাকাটা করতে পারেন। 

তাদের পরিবারের দাবি সরকারিভাবে যদি একটি ঘর ও আর্থিক সহযোগিতা পায় তাহলে তাদের একটু শান্তিতে মাথা গোঁজার ঠাঁই হবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে